অনুর্ধ্ব-১৯ যুব ক্রিকেটে ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সাউথ আফ্রিকাকে নিজেদের মাটিতে ৬-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারায় জুনিয়র টাইগাররা। ফিরতি সিরিজে প্রোটিয়াদের ৫-২য়ের লজ্জায় ডুবানো জুনিয়র টাইগারা এবার ২০১৬ সালে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ প্রথম বারের মতো ঘরে তুলবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুব টাইগার জাতীয় দলের ট্রেনার মোর্শেদ হাসান সিজার।
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপিতে ক্রিকেটের হাতেখড়ি। তবে পরবর্তী কালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স মাস্টার্স শেষ ক্রিকেটার থেকে ক্রিকেট প্রশিক্ষক বনে যাওয়া সিজার নতুন দিনের মিরাজ-পিনাক ঘোষদের মাঝে দেখছেন আগামীর সাফল্য।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের এখনকার বর্তমান দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিদিনই নিজেদের উন্নতি করার জন্য তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে। বর্তমান প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে সামনের বছর দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভালো করার সুযোগ রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটের বড় শক্তি গুলোর বিপক্ষে অব্যাহত সাফল্যের পাশাপাশি বাইরের কন্ডিশনেও ক্রিকেটারদের মানিয়ে নেয়ার কথা ছিলো তার কথায়। তিনি বলেন, আমরা এখন বড় দল গুলোকে নিয়মিত হারাচ্ছি। দেশে কি দেশের বাইরে। আর যেহেতু এবারের খেলা দেশের মাটিতেই হবে তাই বাড়তি সুবিধা আমাদের দলের জন্য তো থাকছেই।
যুবদলে ট্রেনার হিসেবে স্টুয়ার্ড কার্পিনের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্টুয়ার্ডের অধীনে আমরা খেলোয়াড়দের ফিটনেস সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। ছেলেরাও ভালো কাজ করছে। যার ফলে যে কোনো কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে পারছে মিরাজরা।
অনুর্ধ্ব-১৯ দলের ট্রেইনার ছাড়াও আবাহনীতে তিন বছর ও বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা দলের সাবেক এই ট্রেইনার এখনকার যুব ক্রিকেটারদের মাঝে দেখছেন আগামীর সৌম্য-মুস্তাফিজ-লিটন দাসের ছায়া। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন যারা দলে আছে তাদের সবারই ভবিষ্যতে জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা আছে।
বাংলাদেশের মাটিতে আসন্ন বিশ্বকাপে এশিয়ার অন্য দলগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি আমরা শ্রীলংকার মাটিতে তাদের ৩-২ এর ব্যবধানে জিতে এসেছি। আর এবারের বিশ্বকাপ তো আমাদের মাটিতেই। তাই অন্যদের তুলনায় আমরা এগিয়ে থাকবো।
জাতীয় মহিলা দল, অনুর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দল ও ক্লাব পর্যায়ে দীর্ঘদিন ট্রেনার হিসেবে কাজ করা সিজার এখন স্বপ্ন দেখছেন জাতীয় দলে ‘সিনিয়র টাইগারদের’ হয়ে কাজ করার।






