মিজানুর রহমানের সঙ্গে জুনায়েদ সিদ্দিকীর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বড় জয় পেয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। বুধবার উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাবকে ৮ উইকেটে হারায় ব্রাদার্স। মিজানুর সেঞ্চুরি করলেও আট রানের আক্ষেপ নিয়ে ফেরেন জুনায়েদ।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৬৪ রান তোলে উত্তরা। জবাবে ১০ বল হাতে রেখে মাত্র দুই উইকেট হারিয়েই জয় তুলে নেয় ব্রাদার্স।
উত্তরা স্পোর্টিয়ের হয়ে শুরুটা দারুণ করেন দুই ওপেনার। জুটিতে ১০২ রান তুলে আউট হন আনিসুল ইসলাম ইমন। ফেরার আগে ৭২ বলে আটটি চার ও দুই ছক্কায় করে যান ৫৮ রান। ব্যাট হাতে ভালো শুরু করেছিলেন রনি তালুকদারের ভাই জনি তালুকদারও (২৩)। শরিফউল্লাহ’র বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি।
ইমনের সঙ্গে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান। ৯৫ বলে সাত চার ও এক ছক্কায় ৭৫ রান করে শরিফউল্লাহ’র দ্বিতীয় শিকার হন তিনি। ব্যাট হাতে সফল অধিনায়ক মোহাইমিনুল খানও। ৫১ বলে ছয় চার ও এক ছক্কায় তিনি করেন ৬৪ রান।
টপ অর্ডাররা রান পাওয়ায় বড় স্কোর গড়ার পথেই ছিল উত্তরা। কিন্তু শেষদিকের ব্যাটসম্যানরা তাল মেলাতে না পারায় সেটা আর হয়ে ওঠেনি। শেষঅবধি ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৪ রানে থামে তাদের ইনিংস।
ব্রাদার্সের হয়ে শরিফুল্লাহ ও চীরাগ জনি দুটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট নেন মোহাম্মদ শরিফ।
রানতাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ১৬১ রান তুলে ম্যাচ এক তরফা করে তোলেন মিজানুর রহমান ও জুনায়েদ সিদ্দিকী। ১১৩ বলে ১০ চার ও পাঁচ ছক্কায় ১০৮ করে আউট হন মিজানুর। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।
তবে আট রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয় জুনায়েদকে। ১১২ বলে পাঁচ চারে ৯২ রানে আউট হন বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান।
দুই ওপেনারের গড়া ভীতটা আরো শক্ত করেন ফলজে মাহমুদ। ৫৭ রানে অপরাজিত থাকার পাশাপাশি দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। তার সঙ্গে ৯ রানে অপরাজিত থাকনে ভারতীয় অলরাউন্ডার চীরাগ জনি।







