শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-সেভেনের নেতারা অনলাইনে চরমপন্থি কনটেন্টগুলোর খুঁটিনাটি খুঁজে বের করতে বলেছেন ইন্টারনেট জায়ান্টগুলোকে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে এ ব্যাপারে তাদের প্রচেষ্টা ‘উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে’ বলা হয়েছে।
ইতালিয়ান প্রধানমন্ত্রী পাওলো জেন্টিলোনি বলেন, ‘আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া এবং আরও জোরদার করার ব্যাপারে আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার ও সংকল্প দেখিয়েছি।’
অনলাইন জগৎ থেকে চরমপন্থি মতাদর্শ এবং জঙ্গিবাদের সমর্থক সব ধরণের কনটেন্ট চিহ্নিত করা এবং সরিয়ে নেয়ার জন্য ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোকে আরও বেশি কাজ করতে হবে- এই মর্মে একটি দলিলে জি-সেভেনভুক্ত সব দেশের নেতারা সই করেন। একই সঙ্গে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার এরিনায় সন্ত্রাসী হামলায় সংহতি প্রকাশ করেন সবাই।
কিন্তু ইন্টারনেট ও মৌলবাদ নিয়ে কথা বললেও সিসিলির তাওরমিনায় অনুষ্ঠিত জি-সেভেন সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা এবং বিতর্কের পরও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছেন নেতারা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম জি-সেভেন সম্মেলন এটি। তবুও তিনি সম্মেলনের প্রথম দিনে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাস বিষয়ে ২০১৫ সালে প্রস্তাবিত চুক্তিতে সমর্থন জানাননি।

অবশ্য ট্রাম্প এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে সেখানে পৃথকভাবে আয়োজিত বৈঠকে ব্রেক্সিট-পরবর্তী বাণিজ্যচুক্তিসহ বিভিন্নভাবে পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধির পরিকল্পনা ঝালাই করে নিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ছাড়ার সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানান ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ছাড়াও টেরেসা, জেন্টিলোনি এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাঁক্রোরও এটি প্রথম জি৭ সম্মেলন।
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে শরণার্থী এবং অভিবাসী ইস্যু নিয়ে আফ্রিকান দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে জি-সেভেন নেতাদের বসার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে তিউনিশিয়া, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, নাইজার এবং নাইজেরিয়ার নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন।







