বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর নেতারা শনিবার জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্ব অর্থনীতি নতুন করে সচল করার মূল এজেন্ডা নিয়ে রোমে অনুষ্ঠিত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হচ্ছেন।
করোনা মহামারির পর এই প্রথম শীর্ষ নেতারা সশরীরে সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন।
গ্লাসগোতে সোমবার অনুষ্ঠিতব্য কপ২৬ জলবায়ু সম্মেলনের প্রাক্কালে রোমে অনুষ্ঠিত দু’দিনের জি২০ সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবেলায় বিষয় আলোচনা এগিয়ে নেয়ার জন্য চাপ রয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব শুক্রবার জি২০ নেতাদের সতর্ক করে নেতাদের জলবায়ু পরিবর্তন মোকবেলায় অবিশ্বাস কাটিয়ে উঠে জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনে “আরো উচ্চাকাঙ্খা এবং আরও পদক্ষেপ” গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
গুতেরেস বলেছেন, “আমরা এখনও সঠিক পথে আছি, আমি মনে করি এটি এগিয়ে নেয়ার জন্য জি২০ সম্মেলন একটি সুযোগ।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইটালি সফরে আসায় রোমে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়ে টালমাটাল অবস্থা ঘুরিয়ে দিতে এবং বিশ্বে আমেরিকার নেতৃত্ব পুনরুদ্ধারে বাইডেন এই সফরে আসেন।
জি২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সশরীরে উপস্থিত থাকবেন না, তারা ভিডিও লিংকে যুক্ত হবেন।
সম্মেলনের আয়োজক ইটালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি “জি২০ সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার অঙ্গীকার ঘোষণার” আহ্বান জানিয়েছেন। ২০১৫ সালে জলবায়ু সম্মেলনে ‘প্যারিস চুক্তিতে’ প্রাক শিল্পযুগের স্তরের এই তাপমাত্রা ধরে রাখার অঙ্গীকার করা হয়।
জি২০ সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে বিশ্বের শীর্ষ ধনী দেশগুলোর মধ্যে বৈষম্য নিরসন একটি কঠিন বিষয় হবে।
চীন বিশ্বের বৃহত্তম দূষণকারী দেশ, বিশ্বের এক চতুর্থাংশের বেশী কার্বন নিঃসরণের জন্য চীন দায়ী, দুষণ কমিয়ে আনার আহবান পাশ কাটিয়ে দেশটি নতুন কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কপ২৬ সম্মেলনের আগে চীন কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের পরিকল্পনা পেশে ব্যর্থ হয়েছে। পরিবেশবাদীরা আশা করছেন, জাতিসংঘে পেশ করা এক নতুন পরিকল্পনায় ২০৬০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যতে নামিয়ে আনবে।








