মিরপুর টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২২১ রান সংগ্রহ করে থেমেছে বাংলাদেশ। লিড ছিল ৪৩। সবমিলিয়ে জয় পেতে হলে ২৬৪ রানের আগে সফরকারী অস্ট্রেলিয়াকে আটকাতে হবে।
বাংলাদেশ ঘরের মাঠে সর্বশেষ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে জয় পায়। সেই ম্যাচে ২৭৩ রানের টার্গেট দিয়ে ইংলিশদের ১৬৪ রানে গুটিয়ে দেন সাকিবরা। ইংল্যান্ড সেদিন খেলতে পারে মাত্র ৪৫.৩ ওভার।
মঙ্গলবার তামিম, মুশফিক ছাড়া আর কেউ তেমন একটা ভালো করতে পারেননি। তামিম এই নিয়ে ক্যারিয়ারে ৬ বার প্রতি ইনিংসে অর্ধশতক কিংবা তার বেশি রান করলেন। প্রথম ইনিংসে ৭১ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৮ করে সাজঘরে ফেরেন দেশসেরা ওপেনার।
মিরপুরে মঙ্গলবার তাইজুল ইসলাম এবং তামিম ইকবাল পাঁচ ওভার পার করেন। ষষ্ট ওভারে তাইজুলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন নাথান লায়ন। লিড যখন ১০৪, তখন যোগ দেন ইমরুল কায়েস। তিনি এসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ২ রানের মাথায় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর সাকিব ৫ রানের মাথায় ফিরে যান। সাব্বির বেশ চালিয়ে খেলছিলেন। কিন্তু ২২’র বেশি করতে পারেননি। স্কয়ারকাট করতে যেয়ে নাসিরকে ফিরতে হয়েছে ০ রানে। সবচেয়ে অভাগার নাম মুশফিক। সাব্বিরের স্ট্রেইট-ড্রাইভ লায়নের আঙুল ছুঁয়ে নন-স্ট্রাইক প্রান্তের উইকেটে লাগে। মুশফিক তখন ক্রিজের বাইরে! ৪১ রান তুলে দারুণ ব্যাট করছিলেন।
মুশফিক ফিরে যাওয়ার পরই মূলত বাংলাদেশের লিডটা ছোট হয়ে আসে। শেষদিকে শফিউল (৯)-মিরাজ (২৬) মহামূল্যবান ২৮ রান যোগ করেন।
দ্বিতীয় দিন শেষ বিকেলে সৌম্যর উইকেট হারিয়ে ৮৮ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ।
সৌম্য ফিরে যাওয়ার পর বাকি সময়টুকু পার করতে ক্রিজে আসেন তাইজুল ইসলাম। নাইটওয়াচ-ম্যান তাইজুল নিজের দায়িত্ব ঠিকভাবেই সামলে নেন। নয়টি বল খেলতে হয় তাকে। সঙ্গে ছিলেন আগের ইনিংসে ৭১ রান করা তামিম ইকবাল।







