যশোরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে হেমায়েত বাহিনী প্রধান হেমায়েত হোসেন নিহত হয়েছে। সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হলে কারা ফটকের সামনেই ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
জামিনে মুক্ত হয়ে সোমবার সন্ধ্যায় কারাগার থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরই হামলার শিকার হন হেমায়েত।
কারা ফটকের সামনে চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে এসে তাকে সামনে থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। একটি গুলি তার মাথার ডান পাশে এবং আরেকটি গুলি পায়ে লাগে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ হেমায়েতকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১৯ এপ্রিল তাকে বিস্ফোরকসহ পাঁচটি মামলায় যশোর কোতোয়ালি থানার পুলিশ আটক করে।
যশোরের সহকারি পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন বলেন, দুর্বৃত্তদের ফেলে যাওয়া একটি মোটর সাইকেল আমরা উদ্ধার করেছি। মোটর সাইকেলটিতে কোন নাম্বার প্লেট নেই। আমাদের অভিযান শুরু হয়ে গেছে অলরেডি। আশা করি দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আমরা দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।
যশোর শহরতলীর মণ্ডলগতি এলাকার জিন্নাহ ওরফে টেনা কসাইয়ের ছেলে হেমায়েত তার বাহিনী গড়ে তুলেছেন এই এলাকাতেই। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র, বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন আইনে ১৯টি মামলা রয়েছে।








