ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালদের ওপর হামলায় জামায়াতে ইসলামীর ইন্ধন রয়েছে জানিয়ে দলটির রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি করেছে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি।
সাম্প্রদায়িক নির্যাতন ও সন্ত্রাসের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়নেরও দাবি জানায় কমিটি।
তদন্তের মাধ্যমে নাসিরনগরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি। ৬ নভেম্বর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতালদের ওপর হামলারও তদন্ত করেছে সংগঠনটি।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে সেই তদন্তের বিবরণ তুলে ধরে হামলাগুলোর পেছনে জড়িতদের এখনও শাস্তির আওতায় আনতে না পারায় উদ্বেগ জানায় তারা।
নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির জন্য সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আইন প্রণয়নসহ জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন এবং পৃথক সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবিতে আইনমন্ত্রীকে যে স্মারকপত্র দিয়েছিলাম এই বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি আমরা এখন পর্যন্ত দেখিনি।
তিনি আরো বলেন, অর্ধেক কাজ করলে তো হবে না। সেজন্য আমরা বলছি জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ সমূলে বিনষ্ট করতে হলে, সাম্প্রদায়িকতা নির্মূল করতে হলে তার যেটা মূল, সেই ওহাবীবাদী ও মওদুদীবাদী রাজনীতিকে নির্মূল করতে হবে।
নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা বিচারপতি শামসুল হুদা বলেন, সেখানে এমপি সাহেবেরই ১৫টি পুকুর আছে। আর চেয়ারম্যান সাহেব সাঁওতালদের দিয়ে একটি কমিটি করিয়ে প্রতি সপ্তাহে টাকা উঠিয়ে টাকাটা তিনি পকেটস্থ করে চলে গেছেন। আর এখন তাদের অত্যাচার করছেন।
সংগঠনটির উপদেষ্টা বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম বলেন, জামায়াত ইসলামী তো বিএনপিকে খেয়েই ফেলেছে। এখন আওয়ামী লীগকে খাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। তারা খেতে আরম্ভ করেছে। এখন যদি আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা যদি কাকের মতো চোখ বন্ধ করে রাখেন তাহলে সেটার পরিণতি হবে দুর্বিষহ।
আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা ইস্যু মোকাবেলার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।







