জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষক সমিতির কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ প্যানেলে বিপুলভাবে বিজয় লাভ করেছেন।
নির্বাচনে মোট ১৫ টি পদের মধ্যে সভাপতি-সম্পাদকসহ আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা ১৩ টিতে বিজয়ী হয়েছেন। অপরদিকে বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা শুধুমাত্র দুটি নির্বাহী সদস্য পদে জয়লাভ করেছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক একেএম আবুল কালাম।
নির্বাচনে ২টি প্যানেল আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ প্যানেল এবং বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী শিক্ষক’ প্যানেল থেকে বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে সভাপতি পদে আওয়ামীপন্থী প্যানেলের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহমদ (২৮১ ভোট), সম্পাদক পদে দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ (২৬৮ ভোট), কোষাধ্যক্ষ পদে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন (৩০০ ভোট), সহ-সভাপতি পদে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ হাফিজুর রহমান(২৬৬ ভোট) ও যুগ্ম-সম্পাদক পদে ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক মো: ফখরুল ইসলাম (২৯৬ ভোট) বিজয়ী হয়েছেন।

এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে আইআইটি বিভাগের কে এম আককাছ আলী, রসায়ন বিভাগ বিভাগের কৌশিক সাহা, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মো: আউয়াল আল কবীর, নৃবিজ্ঞান বিভাগের রাশেদা আখতার, ইংরেজী বিভাগের লাইজু নাসরীন, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শেখ মো: মনজুরুল হক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সুফি মুস্তাফিজুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের হোসনে আরা বিজয়ী হয়েছেন।
অপরদিকে বিএনপিপন্থী প্যানেল থেকে নির্বাহী সদস্য পদে ফার্মেসী বিভাগের মো. সোহেল রানা ও বাংলা বিভাগের শামীমা সুলতানা বিজয়ী হয়েছেন।
আওয়ামীপন্থীদের বিজয় লাভের পর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন বলেন,এ বিজয়ের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আরো বেশী শক্তিশালী হলো। পাশাপাশি তিনি সকলকে নিয়ে বিশ্বদ্যিালয়ের সার্বিক কল্যাণে একসাথে কাজ করার কথা বলেন।
সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্লাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪৯৮ জন শিক্ষক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন বলে জানান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক একেএম আবুল কালাম।







