জাপানে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে এ পর্যন্ত ৬২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বন্যায় ভূমিধস সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে হিরোশিমা অঞ্চলে। সেখানে কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে এবিসি নিউজ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।
দেশটির মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে টানা বৃষ্টিপাতে ঘর হারিয়েছে ১৬ লাখেরও বেশি মানুষ। বৃষ্টির কারণে হওয়া ভূমিধসের পর অর্ধশতাধিক মানুষের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
জাপানের আবহাওয়া বিভাগ হনশু দ্বীপের পশ্চিমের চারটি এলাকার জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের ভূমিধস, নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও তীব্র বাতাসের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
দুর্যোগে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে পুলিশ, দমকলকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় ৪৮ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বন্যার স্রোত ও ভূমিধসের আঘাতে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ভেসে যাচ্ছে যানবাহন ও ভারী ভারী সরঞ্জাম। তাই সেসব এলাকার অন্তত ৫০ লাখ মানুষকে ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে জাপানে শুরু হয় অবিরাম বৃষ্টি। অতিবৃষ্টির কারণে চলমান বন্যার পাশাপাশি এলাকাগুলোতে রোববার পর্যন্ত রেকর্ড পরিমাণ বর্ষণ হতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এর ফলে আরও তীব্র বন্যা, ভূমিধস ও বজ্রপাতের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।







