আগের দুই ম্যাচের বিশাল পরাজয়ের কথা মাথায় রেখেই জাপান ম্যাচের আগে বাস্তবতায় পা রেখেছিলেন কোচ মাহবুব হারুন। জানিয়েছিলেন অন্তত জাপানকে হারিয়ে হকির মহাযজ্ঞে গ্রুপে তৃতীয় হতে চায় তার দল। কিন্তু শেষ ম্যাচেও হতাশ হতে হল বাংলাদেশকে। জাপানের কাছে ৩-১ গোলে হেরে গেছে স্বাগতিকরা। কয়েকদিন আগে প্রস্তুতি ম্যাচে এই জাপানকে হারিয়েই আশার ফানুসটা ফুলিয়েছিল জিমিরা।
ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে গোল পায়নি বাংলাদেশ-জাপান কোন দলই। ম্যাচের ২২ মিনিটে বাংলাদেশ শিবিরকে স্তম্ভিত করে কেনজি কিটাজিটোর ফিল্ড গোলে এগিয়ে যায় জাপান।
আসরের আগের দুই ম্যাচে একটিও পেনাল্টি কর্নার পাওয়া হয়নি বাংলাদেশের। জাপানের বিপক্ষে বিরতির দুই মিনিট আগে টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম পেনাল্টি কর্নারটি আদায় করে নেয় মাহবুব হারুনের শিষ্যরা। সেটা থেকেই স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান পেনাল্টি কর্নার স্পেশালিষ্ট মামুনুর রহমান চয়ন।
প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার দুর্দান্ত সুযোগ হারিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৩০ মিনিটে পুষ্কর খীসা মিমোর ক্রস থেকে পাওয়া বল গোলরক্ষকের গায়ে মেরে দলকে গোলবঞ্চিত করেন মাইনুল ইসলাম।
দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ১৫ মিনিট বেশ আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে জাপান। জবাবে চয়নদের রক্ষণটাও ছিল বেশ জমাট। ভারত-পাকিস্তানের কাছে মোট ১৪ গোল খাওয়ার লজ্জা ভুলতেই যেন রক্ষণকে শক্তিশালী করে সাজানোর দিকে বেশি মনোযোগী ছিল বাংলাদেশ।
এরপরও ৪১ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক পায় জাপান। কিন্তু দারুণ দক্ষতায় সেটি ঠেকিয়ে দলকে পিছিয়ে পড়তে দেননি গোলরক্ষক অসীম গোপ।
কিন্তু ম্যাচের শেষ পর্যন্ত আর স্নায়ু ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাচের শেষ দুই মিনিটে কেন্টা তানাকার জোড়া গোল ম্যাচ থেকেই ছিটকে দেয় লাল-সবুজদের।
পয়েন্টহীন ভাবেই শেষ হল জিমি-চয়নদের গ্রুপ পর্ব। পুল ‘এ’ থেকে চতুর্থ হয়ে এখন স্থান নির্ধারনী ম্যাচে খেলতে হবে বাংলাদেশকে। ১৯ অক্টোবর পুল ‘বি’র তৃতীয় দলের সঙ্গে স্থান নির্ধারনী ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজের দল।








