বেগম সম্পাদক নূরজাহান বেগমের ঢাকার বাসভবন খাতুন কুটিরের আঙিনায় তার প্রথম জানাযা শেষে শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনতা তাকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছে। সোমবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে নারিন্দায় জানাযা শেষে সর্বস্তরের জনতার শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরদেহ গুলশান সোসাইটি মসজিদে নেওয়া হয়েছে। শেষ জানাযার পরে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে, রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নূরজাহান বেগমের মরদেহ খাতুন কুটিরে নিয়ে আসা হয়। এরপর তার বাড়ির আঙিনায়ই বাদ জোহর সবার অংশগ্রহণে সম্পন্ন হয় প্রথম জানাযা। 
পরে সর্বস্তরের জনতার শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়। বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত স্বজন-শুভানুধ্যায়ী-সহকর্মীরা শহীদ মিনারে তার মরদেহে ফুলেল শ্রদ্ধা জানায়।
বাদ মাগরিব গুলশান জামে মসজিদে সম্পন্ন হবে নূরজাহান বেগমের দ্বিতীয় জানাযা। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে বাবা সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের কবরের পাশে দাফন করা হবে তাকে।
সোমবার সকালে নারী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ এবং ‘বেগম’ পত্রিকার সম্পাদক নূরজাহান বেগম রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন।
বরেণ্য এই মহিয়সীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম নারী সাপ্তাহিক পত্রিকা বেগম-এর সম্পাদক নূরজাহান বেগম। প্রায় ৬০ বছর ধরে এই পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
গত ৫ মে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।








