ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত উপলক্ষে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে চার স্তরের নিরাপত্তার কথা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে ঈদগাহের এক কিলোমিটার জায়গা জুড়ে নিরাপত্তা বলয় থাকবে।
শনিবার দুপুরে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদগাহ ময়দানের এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা আর্চওয়ে এবং পুলিশ চৌকি থাকবে। সেগুলো ভেদ করেই মুসল্লিদের আসতে হবে। এছাড়াও অর্ধ কিলোমিটার এলাকার বাইরে নির্দিষ্ট এলাকায় গাড়ি পার্কিং করতে হবে।
পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলতে যা বোঝায় তার সব কিছুই গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, ঈদগাহ ময়দানে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট এবং সোয়াট সদস্যরাও নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবে।এছাড়া পোশাক পরিহিত ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে আগত মুসল্লিদের কিছু দিক-নির্দেশনা দিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, কোনো প্রকার ভ্যানিটি ব্যাগ, লাগেজ, দাহ্য পদার্থ বহন করা যাবে না। পুলিশ চাইলে নিরাপত্তার প্রয়োজনে জায়নামাযও যদি তল্লাশি করতে চায় তবে সেক্ষেত্রে মুসল্লিদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন: ঈদকেন্দ্রিক কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই। সারাদেশে নিরাপত্তা স্বাভাবিক আছে। হলি আর্টিজান ও শোলাকিয়ায় হামলার পর গোয়েন্দারা টানা এক বছর কাজ করেছেন। সে বিষয় মাথায় রেখেই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়োজিত থাকবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এসময় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ ডিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: ওবায়দুল হক তুহিন







