কার্বন নিঃসরণ ও জলবায়ু ঝুঁকি কমানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ দেয়া না দেয়া ইস্যুতে প্যারিস চুক্তির জন্য শেষ মুহূর্তের দর কষাকষি চলছে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে। শুক্রবার শেষ হচ্ছে সম্মেলন।
প্যারিসের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিবাহিত হচ্ছে। জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশ এবং ক্ষতিগ্রস্থ বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর সাথে এখন চুড়ান্ত পর্যায়ের দর কষাকষি চলছে। বাংলা্দেশের মতো দেশগুলো দাবি করছে, বিগত কয়েক বছর ধরে তারা যেসব দাবি বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে তুলে ধরছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।
বাংলাদেশ দাবি করেছে, দেড় ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। বাংলাদেশের এই দাবির সাথে সহমত জানিয়েছে দেড়শ’র মতো দেশ। তবে অর্থায়নের বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
জলবায়ু সম্মেলন নিয়ে বাইরে যে আলোচনা চলছে তার চেয়ে বেশী আলোচনা চলছে রুদ্ধদ্বার কক্ষে। সেই সব কক্ষে সিদ্ধান্ত হবে চূড়ান্ত চুক্তিতে কী থাকবে।
ইমপ্রেস গ্রুপের অন্যতম সফল পরিচালক এবং প্রকৃতিপ্রেমী হিসেবে পরিচিত প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, প্যারিসের প্রতীক, ফ্রান্সের প্রতীক এ আইফেল টাওয়ার। এ আইফেল টাওয়ার সমঝোতার প্রতীক হিসেবে এখানে রাখা হয়েছে কপ-২১ এ। ভেতরে গরম আবহাওয়ার মধ্যে সমঝোতা চলছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে সেখানে তিন ডিগ্রী সেলসিয়াস ঠাণ্ডা। সুতারং এই ঠাণ্ডা ভেতরে দাবি কতটুকু প্রভাব ফেলবে তার উপর নির্ভর করে আমরা সমঝোতায় কী পাব।
শুক্রবার চুক্তির শেষ দিনে হয়তোবা ভালো কিছু হবে অথবা সামান্য কিছু পাওয়া যেতে পারে কপ-২১ থেকে। আশায় বুক বেঁধে এমনটাই মনে করেন মুকিত মজুমদার।
আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি হবে এবং সেই চুক্তিতে থাকবে ভবিষ্যতে জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে উন্নত এবং স্বল্প উন্নত দেশগুলো যে যার অবস্থান থেকে কী ধরনের ভূমিকা রাখবে।







