প্যারিসের এই নাগরিক জিবনের মতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নগর মহানগর থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষেরাও আরো বেশি সমস্যার মুখে পড়তে পারে জলবায়ু ঝুঁকির কারণে।
বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে ওয়াল্ড ব্যাংক গ্রুপের ওয়াটার গ্লোবাল প্র্যাকটিসের সিনিয়র ডিরেক্টর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জুনায়েদ কামাল আহমেদ গবেষনার চিত্র তুলে ধরে এই আশংকার কথা জানিয়েছেন। বলেছেন এর ফলে জলবায়ু উদ্বাস্তু বাড়তে পারে।
ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সিনিয়র ডিরেক্টর জুনায়েদ কামাল আহমেদ জানান, পানি নিয়ে হাহাকার শুরু হয়ে গেছে।জলবায়ু উদ্বাস্তুর সংখ্যা চারদিকে বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে।
বিশেষ করে পানি সংকটের ভয়াল পরিস্থিতির ঝুঁকিতে আছে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়া অঞ্চল।
পানি সমস্যার পাশাপাশি জাতিসংঘের কাছে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ কার্বণ নিঃসরণ কমানোর জন্য যে অঙ্গীকার করেছে তা বাস্তবায়নেরও তাগিদ এসেছে জলবায়ু সম্মেলনে।
প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেয়া প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন,‘ পানির বিষয়টিতে যদি আমরা এখনই নজর না দেই তাহলে পৃথিবীর মোট উৎপাদন ৫ শতাংশ হ্রাস পাবে। পাশাপাশি দুর্যোগও বেড়ে যাবে। সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। কার্বন কমিয়ে আনার বিষয়ে ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত না হলে গোটা সম্মেলন ব্যর্থ হয়ে যাবে। তাই এব্যাপারে বাধ্যবাধকতার বিষয়টি কিভাবে কার্বন নিঃসরণ কমাতে পারে তা নিয়ে জোর আলোচনা হচ্ছে কপ-টুয়েন্টিওয়ানে।
আইনি কাঠামো চুড়ান্ত করার বিষয়টি সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব পাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের নেগোসিয়েটর ডক্টর আসাদুজ্জামান জানান, অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
আইনি কাঠামো নিয়ে যে চুল চেরা বিশ্লেষন ও মতানৈক্য চলছে তা চুড়ান্ত হবে আগামী সপ্তাহে।







