বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারের আজ জন্মদিন। ৭৫’এ পা দেয়া চিরসবুজ এ মানুষটি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন-যাপন করতে পছন্দ করেন। আর সে কারণে জন্মদিনের আনুষ্ঠানিকতা পছন্দ করেন না তিনি। চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন, আমার কাছে জন্মদিন বলে বিশেষ কোনো দিন নেই, এ দিনটি যেকোনো দিনের মত লাগে। তবে কাছের মানুষ, পরিবার, বন্ধু-বান্ধব চায় বিশেষভাবে দিনটি উদযাপন করতে।
জন্মদিন ঘিরে কাছের মানুষের পরিকল্পনা সর্ম্পকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজও আমি সারাদিনের মত কাজে নিয়ে ব্যস্ত থাকব। সকালে দু’টো চ্যানেলে লাইভ অনুষ্ঠানে যোগ দিব। এরপর অফিসে যাব। সেখানে সবাই কেক কাটবে। আমার একমাত্র নাতনী নাভনী অত্রি নিজের হাতে একটি কেক তৈরি করেছে সেটিও কাটব। এরপর বিকেলে মন্ত্রণালয়ে যাব। বিকেলে তিন মন্ত্রীর সঙ্গে জঙ্গিবাদ বিরোধী নিয়ে আমি একটি বক্তৃতা উপস্থাপন করব। এরপর সন্ধ্যায় আমার প্রিয় স্থান থিয়েটারের ছেলেদের সঙ্গে কাটব।
সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করতে সংস্কৃতি কতটুকু সাহায্য করবে এমন প্রশ্নে রামেন্দু মজুমদার বলেন, জঙ্গিবাদ দূর করতে সংস্কৃতি বড় শক্তি হিসেবে কাজ করে। এ দেশের তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। এখন বাংলাদেশে দরকার সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ। তাছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও পরিবারের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসার ঘটাতে পারলে এ দেশে জঙ্গিবাদ শিকড় গাড়তে পারবে না।
তবে জন্মদিনের স্মৃতি বলতে জীবনসঙ্গী ফেরদৌসী মজুমদারের আয়োজনে মুগ্ধ হয়েছিলেন রামেন্দু মজুমদার। বলেন, বছর দুই আগে ফেরদৌসী কোনো কিছু না বলে বিশাল এক আয়োজন করেছিলেন। সেটা আমাকে অবাক করেছিল।
আসলে পুরো এ জীবনে আমার স্ত্রী ও মেয়ের ভূমিকা অনেক। তারাই আমাকে বাধ্য করেছেন সৎ পথে থাকার জন্য। ভালো কিছু করার জন্য।







