দৈনিক জনকণ্ঠের এক সাংবাদিক ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে সুয়োমোটো রুল জারি করেছেন আপিল বিভাগ। সেইসাথে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের বিষয়ে তথ্য চেয়েছে আদালত।
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আপিলের রায়ের পরে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানান, অভিযুক্ত দু’জনকেই ৩রা আগস্ট স্বশরীরে আদালতে হাজির হতে হবে। এছাড়াও গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের ঠিকানাসহ বিস্তারিত তথ্য জমা দেয়ার নির্দেশও দেন আদালত।
তথ্য চাওয়ার বিষয়ে ইমরান এইচ সরকার চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, গণজাগরণ মঞ্চ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারিক কাজে প্রভাব বিস্তার ও বাধাগ্রস্ত করে না। বরং এই মঞ্চের মাধ্যমে কোনো রাজাকার, কোনো যুদ্ধাপরাধী যেনো প্রভাব বিস্তার করে মুক্ত হতে না পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া আপিল বিভাগ যদি আমার কাছে তথ্য চেয়ে থাকেন, নিশ্চয় তাদেরকে সহযোগীতা করবো। তবে বলতে পারি আমার কোনো বক্তব্যই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে প্রভাব ফেলেনি।
১৬ জুলাই দৈনিক জনকন্ঠে প্রকাশিত একটি কলামের কারণে সাংবাদিক স্বদেশ রায় এবং সম্পাদক-প্রকাশক আতিকুল্লাহ খান মাসুদের বিরুদ্ধে এ নির্দেশ দেয় আদালত। সেইসাথে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে ট্রাইব্যুনাল সর্ম্পকে বক্তব্য দেওয়ার কারণে ইমরান এইচ সরকারের তথ্য চাওয়া হয়েছে।







