জঙ্গি সম্পৃক্ততা এবং জঙ্গি হুমকি আছে, এমন কোনো দেশে শ্রমিক পাঠাচ্ছে না বাংলাদেশ। জঙ্গি হামলার ঘটনায় জনশক্তি রপ্তানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না উল্লেখ করে চলতি বছর সাড়ে ৭ লাখ কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার এক বছর পূর্তিতে গত এক বছরের অর্জন আর আগামীর কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরতে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রী নুরুল ইসলামের প্রেস ব্রিফিং।
দেশে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলা এবং সিঙ্গাপুরে ৪ বাংলাদেশী শ্রমিকের সাজা হওয়ার ঘটনা জনশক্তি রপ্তানিতে প্রভাব ফেলবে কিনা, গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নের জবাবে নুরুল ইসলাম বলেন, ‘জনশক্তি রপ্তানিতে এ জঙ্গি হামলা কোনো প্রভাব ফেলবে না।
“কারণ আমাদের দেশের কর্মীরা বিদেশে এত নাম করেছে, এত ভালো কাজ করেছে এবং তাদের এত সুনাম বৃদ্ধি পেয়েছে যে, বিদেশিরা বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগের জন্য পাগল হয়ে যায়।”
বিভিন্ন দেশে কর্মী পাঠানোর আগে বাংলাদেশের মিশনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হয় বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মিশন যদি নিশ্চিত করে ওই এলাকায় কোনোরকম গণ্ডগোল নেই, তখনই শুধু মন্ত্রণালয় শ্রমিক পাঠানোর ক্লিয়ারেন্স দেয়। এ কারণেই সিরিয়া ও লিবিয়াতে বাংলাদেশ থেকে লোক পাঠানো হয় না
বলে জানান তিনি।
জুলাই ২০১৫ থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোট ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৫৪ জন কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।
এ বছর আরও ৭ লাখ কর্মী পাঠানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন নুরুল ইসলাম।
তিনি জানান, অভিবাসন সেক্টর সম্পর্কে অভিজ্ঞ, দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পরামর্শক টিম গঠন করা হয়েছে।
এছাড়াও অ্যানুয়েল পারফরমেন্স এগ্রিমেন্ট’র আওতায় তিনজন প্রাক্তন সচিবকে নিয়ে বিশেষজ্ঞ পুল গঠন করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী জানিয়েছেন, তাদের কাছে ৭৪৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেয়া আছে। তবে কবে কীভাবে তারা শ্রমিক নেবে সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে কোনো তথ্য নেই।







