রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী জেএমবি সদস্য, এমন খবরে
ক্যাম্পাস জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। কঠোর মনিটরিং-এর মাধ্যমে
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ
শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা।
জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি ও মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী আহসান উল্লাহ আনসারী। ২০১৫ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে আর ক্লাসে দেখা যায়নি কুড়িগ্রাম রাজারহাটের আনসারীকে।
চলতি বছরের ১০ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন। তারা জেএমবির অন্যতম সদস্য, এমন খবরে স্তম্ভিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী। তারা বলেন, তাদের মতো ছাত্ররা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করেছে এটা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। জঙ্গিবাদ সমর্থন করার মতো কোনো বিষয়ই না, এটা দেশব্যাপী আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।
ধর্মকে ব্যবহার করে মুক্তমনা শিক্ষার্থীদের বিপদগামী করার অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার পরামর্শ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, জঙ্গিবাদের তৎপরতা থেকে বেরিয়ে আসতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্য প্রগতিভাবনা মূলক বিষয় সন্নিবেশ করতে হবে।
আরেক শিক্ষক আপেল মাহমুদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলো জায়গায় নজরদারি প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রক্টর শাহীন রহমান বলেন, যেহেতু দুজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তাই আমরা মনে করি রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় জঙ্গি তৎপরতার বাইরে নয়। সে জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।







