বাংলাদেশ সরকার সাম্প্রতিক বিভিন্ন হামলার নেপথ্য নায়কদের বিচারের মাধ্যমে জঙ্গি পরিস্থিতি এড়াতে পারবে বলে মনে করছে ভারত। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দৃঢ়ভাবে কাজ করার কথাও বলেছে দেশটি।
গুলশানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় শুক্রবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ
মাহমুদ আলীকে পাঠানো চিঠিতে এসব কথা জানান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।
চিঠিতে ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।
সুষমা স্বরাজ বলেন, গুলশানে হলি আর্টিজানে কাপুরুষোচিত হামলায় নির্দোষ মানুষের প্রাণহানির সংবাদে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। এমন অমানবিক সহিংসতা খুবই দুর্ভাগ্যজনক, বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে যখন সত্যিকারের বিশ্বাসীদের মন আধ্যাত্মিক জগতের সন্ধানে থাকে।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শোকের এই সময়ে ভারত দৃঢ়ভাবে বাংলাদেশের পাশে আছে। আমরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলয়ে কাজ করব। ঘৃণা, সহিংসতা ও সন্ত্রাসের আদর্শের হুমকি থেকে আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে হবে।
জঙ্গি হামলার ঘটনায় দোষীদের বিচারের পরামর্শ দেন সুষমা। তিনি বলেন, জঙ্গি হামলার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করে, এ ধরনের পরিস্থিতি যেন না হয় সে ব্যবস্থা করবে বাংলাদেশের সরকার। এ ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী।
সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সর্বস্তরে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি ও একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
গত ১ জুলাই রাতে ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। তারা ১৭ বিদেশীসহ ২০ জিম্মিকে হত্যা করে। এছাড়াও নিহত হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা।
পরেরদিন সকালে সেখানে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে কমান্ডো অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ছয় হামলাকারী নিহত হয়। এছাড়া সেখান থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে।







