বরখাস্ত মেজর জিয়ার পাশাপাশি যে তামিম চৌধুরীকে ধরিয়ে দিতে পুলিশ ২০ লাখ
টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে; সেই তামিম আহমেদ চৌধুরী বছর তিনেক আগেও
কানাডায় বাস করতেন। ২০১৩ সালের মাঝামাঝি তিনি সেখানকার পুলিশের বিরুদ্ধে
নির্যাতনের অভিযোগ এনে বাংলাদেশে ফিরে আসার কথা জানিয়ে আত্মগোপনে চলে
গেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, তামিম চৌধুরীর আদিবাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের বড়গ্রামে। তবে স্বাধীনতার বছর দুয়েকের মধ্যে তার বাবা শফি আহমেদ চৌধুরী সপরিবার কানাডাপ্রবাসী হন। সেখানে ৮০’র দশকের মাঝামাঝি তামিমের জন্ম হয়।
কয়েকবার তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সিলেট সফর করলেও বিয়ানীবাজারে কেউ তাকে কখনো দেখেননি। তামিম চৌধুরী একসময় কানাডার অন্টারিওর উইন্ডসর শহরে থাকতেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এবং কানাডার টরন্টো স্টার ও ন্যাশনাল পোস্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলেছে, কথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর বাংলাদেশ খিলাফত দলের প্রধান শায়খ আবু ইব্রাহিম আল-হানিফ আসলে তামিম চৌধুরী।
বছরের শুরুর দিকে আইএস-এর মুখপত্র ‘দাবিক’-এ আবু ইব্রাহিম আল-হানিফ এর দীর্ঘ সাক্ষাতকার প্রকাশ হয়েছে।
তবে, বাংলাদেশে আইএস-এর উপস্থিতির কথা প্রত্যাখ্যান করেছে পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের তথ্যমতে, তামিম চৌধুরী নিউ জেএমবির নেতা।
গুলশান এবং শোলাকিয়া হামলায় তামিম এবং বরখাস্ত মেজর জিয়া নেপথ্যে থেকে ভূমিকা পালন করেছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।







