গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৭ জাপানি নাগরিক
স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকসভা আয়োজন করে জাপান স্টাডি সেন্টার।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জঙ্গিবাদে অর্থের যোগানদাতা ও মদদদাতাদের দ্রুত
খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
১৫ বছর আগে ১শ’ ১৫টি জঙ্গি সংগঠনের নাম জানানো হলেও গোয়েন্দা সংস্থা তখন কর্ণপাত করেনি বলে দাবি করেছেন অধ্যাপক ডক্টর আবুল বারকাত।
দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন একুশে আগস্টের মতো গুলশান হত্যাকাণ্ড আরেকটি গভীর ষড়যন্ত্র বলে মনে করেন বিশিষ্ট নাগরিকরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডক্টর মো. কামাল উদ্দীন বলেন, আন্তর্জাতিকভাবেও যারা অন্যায়কারী তাদের যদি শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় তাহলেই হয়তো এসব সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মো. আকতারুজ্জামান বলেন, একজন জঙ্গিকে হত্যা করলেই জঙ্গিবাদের মূলোৎপাটন হবে না, এর পেছনে অর্থদাতা আছে, মদদদাতা আছে, অস্ত্র যোগানদাতা আছে। সেসবই আজ বেরিয়ে আছে।
বাংলাদেশের অগ্রগতিতে আইএস এর নাম ষড়যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও মনে করেন তারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপান স্টাডি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ডক্টর আবুল বারকাত বলেন, আপনারা আজকাল আইএস শোনেন, আল-কায়দা শব্দটি আর শোনেন না। আমি মনে করি এটাও একটা ষড়যন্ত্র। ১৫ বছর আগে ১শ’ ১৫টি জঙ্গি সংগঠনের নাম ঠিকানাসহ প্রকাশ করেছিলাম। গোয়েন্দা সংস্থারা জানিয়েছিল এগুলোর অনেকগুলোর নাকি অস্তিত্ব নাই। যে সংগঠনের অস্তিত্ব নাই বলেছিল ১০ বছর পরে সেই সংগঠনের অস্তিত্ব গাইবান্ধায় পাওয়া যায়।
শোকসভা শেষে একটি মৌন মিছিল বের করা হয়।









