ছিটমহলবাসিদের স্বাধীনতা প্রাপ্তির এই উৎসবমুখর সময়ে ভারতীয়দের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে নিরাপত্তার বিষয়টি। সদ্য ভারতের ভূখন্ডে যুক্ত হওয়া এ সকল স্থান যেনো রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত না হয়, তা নিয়ে চিন্তিত ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান।
ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান প্রদীপ ভট্টাচার্য সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অভিবাসী বা জেএমবির কোনো সদস্য যেনো ভারতীয় অংশে প্রবেশ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রথম কাজ। ভারতের অংশ হওয়া ওই সকল ছিটমহলগুলোতে নিরাপত্তা বিধান অগ্রাধিকারভিত্তিতেই হবে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রবিরোধী সন্ত্রাসীরা যেনো এই বিষয়টিকে কোন সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, সেজন্য আমি ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আইবি, বিএসএফ এবং রাষ্ট্রীয় পুলিশের সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আবেদন জানিয়েছি। এই বিষয়ে আমি চিন্তিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেছেন, বহু রন্ধ্রবিশিষ্ট এরকম সীমান্ত থাকলে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আশঙ্কা থাকে। আমরা এরকম তিনটি এলাকা চিহ্নিত করেছি, যেখান দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করার সুযোগ রয়েছে। আমরা সেসব জায়গায় কঠোর নজরাদির ব্যবস্থা করেছি এবং সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি।
বাংলাদেশ এবং ভারত শনিবার (১ আগস্ট) ১৬২ টি ছিটমহল বিনিময় করেছে। যার মাধ্যমে অবসান ঘটেছে বিশ্বের সবচেয়ে তিক্ত একটি সীমান্ত বিতর্কের, যা প্রায় সাত দশক ধরে চলে আসছিলো। দ্য হিন্দু







