চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
    https://www.youtube.com/live/AprmPSB8ZdA?si=2EQ6p1yXPemj_VEJ
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

প্যান্ডোরার বক্স এবং ছাত্রলীগ

অজয় দাশগুপ্তঅজয় দাশগুপ্ত
৭:৩৯ অপরাহ্ন ২০, সেপ্টেম্বর ২০১৯
মতামত
A A

গ্রিক উপাখ্যানে প্যান্ডোরা ঈশ্বর কন্যা, পৃথিবীর প্রথম এ নারীকে দেব-দেবীরা উপহার দিয়েছিলেন। উপহার রাখার জন্য একটি সুন্দর বক্সও দেওয়া হয়। তবে একইসঙ্গে শর্ত রাখা হয় ‘খুলো না, কখনও’। কিন্তু গিফট বক্স খুলবে না, সেটা কি হয়? নিজেকে সংবরণ করতে পারেননি প্যান্ডোরা। একদিন বক্স খুলে ফেললেন, ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করে, দেবতারা যন্ত্রণা-ক্লেশ-রোগব্যাধি-হতাশাসহ যত ‘কু’ লুকিয়ে ভেতরে রেখেছিলেন। এ সব ছড়িয়ে পড়ল মানুষের মধ্যে। ভীত-সন্ত্রস্ত প্যান্ডোরা বক্সটি বন্ধ করে দিলেন বটে, কিন্তু হায় ভেতরে রয়ে গেল কেবল হোপ বা আশা!

প্যান্ডোরার বক্স খুলতে নেই এটা বাংলা প্রবাদে পরিণত হয়েছে। কিন্তু কখনও কখনও যে খুলে যায় অজান্তে। ছাত্রলীগের দুই শীর্ষনেতা রেজওয়ানুল হক শোভন ও গোলাম রাব্বানী পদ হারিয়েছেন। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সহযোগী ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ। সংগঠনটি ঐতিহ্যের। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত করার জন্য ছাত্রলীগের ওপরেই বেশি নির্ভর করেছিলেন। দলের অনেক নেতা স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ চায়নি, এমনকি ছয় দফাতেও তাদের প্রবল আপত্তি ছিল। তাদের অনেকে দল ছেড়ে যায়। আরেক দল নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। কিন্তু ছাত্রলীগের তৃণমূল ছিল একাট্টা হয়ে বঙ্গবন্ধুর পাশে। এ কারণেই তিনি ১৯৭১ সালে প্রথমে অসহযোগ আন্দোলন ও পরে সশস্ত্র সংগ্রামের ঝুঁকি নিতে পেরেছিলেন। লাখ লাখ ছাত্র-তরুণ অস্ত্র হাতে নিয়েছিল তাঁরই আহ্বানে।

তবে ছাত্রলীগ নিয়ে সমস্যা তারও কম ছিল না। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার ছয় মাস যেতে না যেতেই বাঙালির বিরুদ্ধে, বিশেষ করে বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মোকাবেলার জন্য মুসলিম ছাত্রলীগ নামের যে প্রতিষ্ঠানটি গঠন করেন, তার আহ্বায়ক নাঈমউদ্দিন আহমদ ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে পুলিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে মুচলেকা দেন। অথচ এ ঘটনাতেই জরিমানা প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করায় বঙ্গবন্ধুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। ছয় দফা প্রদানের পর ছাত্রলীগ সভাপতি ও ডাকসু ভিপি ফেরদৌস আহমদ কোরেশী আওয়ামী লীগ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। পরে তিনি যোগ দেন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের দল বিএনপিতে। ছাত্রলীগের এক সময়ের শীর্ষ নেতা মাজহারুল বাকী যোগ দিয়েছিলেন জেনারেল (অব.) এম এ জি ওসমানীর দল জাতীয় জনতা পার্টিতে।

ষাটের দশকের শুরুতে আইয়ুব খানের সামরিক দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সূচনালগ্নে বঙ্গবন্ধু বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছিলেন যাদের, তার মধ্যে ছিলেন সিরাজুল আলম খান। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই ছাত্রলীগে বিভেদ সৃষ্টি করেন। তার সহযোগী হন আসম আবদুর রব ও শাহজাহান সিরাজ, দু’জনেই ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারা স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদেরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। এ পরিষদের আরেক সদস্য নূরে আলম সিদ্দিকীও এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ থেকে দূরে সরে যান।

শফিউল আলম প্রধান

ষাটের দশকে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন এবং কে এম ওবায়দুর রহমান। তারা বঙ্গবন্ধুর খুনি খোন্দকার মোশতাকের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ শহীদুল ইসলাম। তিনি বঙ্গবন্ধু পরিবারের সন্তান, ১৯৭৫ সালের ৭ জুন ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নকে একক সংগঠন জাতীয় ছাত্রলীগের পতাকাতলে নিয়ে আসার সময় তাকেই এ সংগঠনের প্রধানের পদ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু ১৫ আগস্টের পর যে প্রতিবাদী ছাত্র আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তাতে তিনি সামিল হননি। আশির দশকে তিনি যোগ দেন সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদের দলে। তার সময়ে সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন আবদুর রশিদ। তিনিও পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে চলেননি।

১৯৭৩ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মনিরুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম প্রধান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধুর সরকার তখন ক্ষমতায়। অথচ ছাত্রলীগের এ কমিটির নামে বায়তুল মোকাররমে জনসভা ডেকে আওয়ামী লীগের সরকার সম্পর্কে বিষোদগার করা হয়। শফিউল আলম প্রধান ওই জনসভায় ‘আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজদের তালিকা প্রকাশের’ হুঙ্কার ছাড়েন। এ ঘটনার কিছু দিন পর (১৯৭৪ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে) শফিউল আলম প্রধান ও তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূর্যসেন হল থেকে সাতজন ছাত্রলীগ কর্মীকে ধরে এনে প্রকাশ্যে মহসিন হলের ভেতরে গুলি করে হত্যা করা হয়। শত শত ছাত্র এ নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করেছে। অথচ সংগঠনের সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরী নিশ্চুপ। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর তিনি যোগ দেন খুনি মোশতাকের সঙ্গে। পরে যুক্ত হয়ে পড়েন জিয়াউর রহমানের দলে।

Reneta

শফিউল আলম প্রধান যখন হিংস্র ঘাতকের ভূমিকায়, বঙ্গবন্ধু তখন মস্কোয় চিকিৎসাধীন। শেখ কামাল তাঁর সঙ্গী হয়েছিলেন। তিনি ছাত্রলীগের কোনো পদে ছিলেন না। কিন্তু এ সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র চলছে, সেটা বুঝতে পেরে অসুস্থ পিতার পাশে না থেকে তাকে ছুটে আসতে হয় ঢাকায়। ৭ ছাত্র খুনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছাত্রলীগের দুই প্রধান নেতার বিরুদ্ধে যেন পুলিশ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, সেজন্য তৎপরতা চলে। শফিউল আলম প্রধান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শোক মিছিল’ বের করেন। অবশেষে তার স্থান হয় কারাগারে। বঙ্গবন্ধুর সরকারের আমলে বিচারও শুরু হয়। কিন্তু ১৫ আগস্ট পরবর্তী দুঃশাসনের আমলে তাকে এমন ভয়ঙ্কর অপরাধেও কেবল লোকদেখানো নাম মাত্র দণ্ড দেওয়া হয়। তবে মুক্ত জীবনে ফিরে আসতে বেশি সময় প্রয়োজন হয়নি। পরে তাকে রাজনৈতিক অঙ্গনে দারুণ সক্রিয় দেখা যায়। মূল কাজ হয়ে দাঁড়ায় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিদ্বেষ ছড়ানো। আরেকটি প্রচারণাতেও তাকে সক্রিয় দেখা যায় ভারত-বিদ্বেষ। আমৃত্যু শফিউল আলম প্রধান ছিলেন বিএনপির সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য মিত্র। বেগম খালেদা জিয়ার ডান হাত।

১৯৮১ সালের মে মাসে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। পরবর্তী প্রায় চার দশককে আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সভাপতি, সংসদে বিরোধী দলের নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব গ্রহণ করার পরপরই শুরু হয় এইচ এম এরশাদবিরোধী আন্দোলন। এ আন্দোলনে ছাত্রলীগ বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকার গঠন করলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও ৮ দল যে সব ইস্যুতে আন্দোলন গড়ে তোলে তার মধ্যে ছিল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার, গোলাম আজম ও অন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিকে সাংবিধানিক রূপ প্রদান। বলা যায়, প্রতিটি ক্ষেত্রেই লক্ষ্য অর্জনে তিনি ছিলেন দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ও দূরদর্শী। রাজপথের আন্দোলনে তিনি আশির দশকের মতোই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সাড়া পেয়েছেন। দলের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার সামনে আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ আসে হারিয়ে যেতে বসা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এ ক্ষেত্রে সামরিক শাসকরা বাধা ছিল, দক্ষিণপন্থি রাজনৈতিক শক্তি বাধা ছিল। এমনকি বামপন্থি দলগুলোও বাধা ছিল। জয় বাংলা ও জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান এদের সকলের গাত্রদাহ সৃষ্টি করত।

এইচ এম এরশাদের শাসনামলে রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বক্তব্য শেষ করলে এমনকি আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ বুদ্ধিজীবী মহলেরও অভিমত ছিল ‘কাজটি বোধ হয় ঠিক হলো না।’ অথচ বাঙালি যে বাংলাদেশ পেল, বাংলা নববর্ষে কোটি মানুষকে রাজপথের উৎসবে পেল, বিকাশের পথ খুঁজে পেল তার পেছনে এ স্লোগানের অবদানই সবচেয়ে বেশি।

সিরাজুল আলম খান দাবি করেন, তিনিই এ স্লোগানের উদ্গাতা। অথচ তিনি এবং তার সমর্থকরা যখন এ স্লোগান পরিত্যাগ করে জামায়াতে ইসলামী-মুসলিম লীগ-সামরিক শাসনের সমর্থকদের সঙ্গে একযোগে স্লোগান দিয়েছেন ‘জয় বাংলা জয়হিন্দ লুঙ্গি ছাইড়া ধূতি ফিন্দ’, তখন ছাত্রলীগ কর্মীরা তার বিরুদ্ধচারণ করেছে। এ জন্য অনেকে লাঞ্ছিত-নির্যাতিতও হয়েছে। এটাও মনে রাখতে হবে যে ষাটের দশকের অনেক ছাত্রলীগ নেতা দলত্যাগ-আদর্শত্যাগ করলেও শেখ হাসিনা যাদের ছাত্রলীগের দায়িত্ব দিয়েছেন, তাদের মধ্যে সুলতান মনসুর আহমদ ও হাবিবুর রহমান হাবিব ছাড়া ডিফেকশনের ঘটনা তেমন নেই।

তবে রাজপথের আন্দোলন পরিচালনায় সফলতার পরিচয় দিলেও ছাত্রলীগের নেতৃত্বকে অবশ্যই এটা ভেবে দেখতে হবে কেন ১৯৭০ সালের পর তারা এককভাবে ডাকসু কিংবা অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়ী হতে পারছে না। সাম্প্রতিক ডাকসু নির্বাচনেও তাদের সাফল্য প্রশ্নবিদ্ধ। ধারণা করা হয়েছিল, ডাকসু নির্বাচনের পর অন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পথ খুলে যাবে।

বাস্তবে সেটা ঘটেনি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উদ্যোগ নেই। ‘কোটা সংস্কার’ এবং ‘নিরাপদ সড়ক’ আন্দোলনে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল। কিন্তু শুরুর দিকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ‘কী করণীয়’ সে বিষয়ে চরম অসহায়ত্ব দেখা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন ঘটাতে পারছেন, বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের সারিতে বসতে পারবে এমন আস্থা জনমনে তৈরি করতে পারছেন, বিশ্বসমাজে বাংলাদেশ এখন সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত একটি নাম এমন অনুকূল অবস্থায় কাজ করেও ছাত্রলীগ কেন সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বড় অংশের সমর্থন পাচ্ছে না, এ সব কি এ সংগঠনের নেতৃত্ব ভেবে দেখবে না? দেশে এখন পাঁচ কোটিরও বেশি ছাত্রছাত্রী। ২৫-৩০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ছাত্রলীগের তো কাজের ক্ষেত্রের অভাব নেই। পান্ডোরার বক্সে যে ‘আশা বা হোপ’ আটকা পড়ে আছে, সেটা তাদের জানা আছে। তাহলে কেন বারবার আলোচনায় আসবে যাবতীয় যন্ত্রণা-অনিয়ম-অনাচার-ক্লেশ?

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: ছাত্রলীগঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে দুদিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব শুরু

এপ্রিল ১৫, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে মেসি ও আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে মামলা

এপ্রিল ১৫, ২০২৬

ড. মো. আলী আফজাল: কৃষি বিজ্ঞানের প্রবাদপুরুষ ও আধুনিক আবাসনখাতের স্বপ্নদ্রষ্টা

এপ্রিল ১৫, ২০২৬

ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ২ হাজার কর্মী ছাঁটাই করবে বিবিসি

এপ্রিল ১৫, ২০২৬

বায়ার্নের প্রতিশোধ, নাকি রিয়ালের প্রত্যাবর্তন

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT