ভারতে সুপারস্টাররা সাধারণত পরিবারের সাবেক কোনো স্টারের হাত ধরেই ইন্ডাস্ট্রিতে আসেন। কিন্তু ধানুশের ক্ষেত্রে সেটা তো ছিলই না, পরিবারের ছিল না অর্থ, যশ, খ্যাতি কিংবা শিক্ষাও। তবুও তিনি বলিউড ও দক্ষিণের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি কাঁপিয়ে চলেছেন। অথচ একসময় চেহারা নিয়ে কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছিল তাকে।
সম্প্রতি ভারতের গণমাধ্যমে ফিল্মফেয়ারে দেয়া সাক্ষাৎকারে ধানুশ বলেছেন, তাকে চেহারা নিয়ে অনেক কুৎসিত মন্তব্য শুনতে হয়েছে ক্যারিয়ারের শুরুতে। তার লুক নিয়ে হাসাহাসি করা হতো। সেই সময়ে কীভাবে এসব পরিস্থিতি সামনে নিয়েছেন সেই কথা জানিয়েছেন অভিনেতা।
ধানুশ বলেন, ‘খুব কম বয়সে শুরু করেছি, ১৬ ছিল বয়স তখন। আমার লুক নিয়ে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। প্রথমে বেশ কয়েকটি ব্লকবাস্টারের পরে কিছু ছবি ফ্লপ হয়েছে। তখনও আমাকে নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। আমাকে আবার ফিরে আসতে হয়েছে। এগুলো সবই হয়েছে যখন আমার বয়স অনেক কম ছিল। এখন আমি অনেক বেশি ম্যাচিউর্ড। খুব ভালো করে জানি এসব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দিতে হয়। তবে ১৭ থেকে ২০ বছর বয়সে যখন পৃথিবীটাকে জানতাম না, তখন যেভাবে সামাল দিয়েছি, সেটা নিয়ে আমি এখনও গর্ব বোধ করি।’
ধানুশ আরও বলেন, ‘আমি কখনই অভিনেতা হতে চাইনি। আমার হৃদয়ে সেটা ছিলই না। খুব কম বয়সে জোর করেই অভিনয় করানো হয়েছে আমাকে দিয়ে। তবে যখন কালজয়ী নির্মাতা বালু মহেন্দ্রর সঙ্গে পরিচয় হয়, তিনি আমাকে নিয়ে একটি ছবি নির্মাণ করেন। তিনি আমাকে বলেন, ‘তুমি খুব ছোট এখনও। আমি যা দেখতে পাই, তুমি তা পাও না। আমি দেখতে পাচ্ছি তোমার মাঝে সৃষ্টিকর্তার উপহার আছে। আশা করছি তুমিও শিগগির তা বুঝতে পারবে।’ এরপর আরও একজন একই কথা আমাকে বলে। তখন মনে হয়, বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। এরপর মন দিয়ে অভিনয় শুরু করি।’
অভিনেতা জানান, তিনি ব্যর্থতা থেকে শেখার চেষ্টা করেন এবং একই ভুল আবার যেন না হয় সেই ব্যাপারে সচেতন থাকেন। ফিল্মিবিট








