চীনের সহিংসতাপূর্ণ জিনজিয়াং প্রদেশে রোজা রাখার ব্যাপারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। প্রদেশটির রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি চাকুরিজীবী, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে রোজা না রাখার নির্দেশ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
উইঘুর মুসলিম অধুষ্যিত প্রদেশটিতে ধর্মীয় উগ্রবাদ ঠেকাতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চীন। দেশটির গণমাধ্যম ও জিনজিয়াং প্রদেশের সরকারি ওয়েবসাইটে এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি প্রাণঘাতী হামলার জন্য বেইজিং উইঘুর সম্প্রদায়কে দায়ী করে আসছে। চীন কর্তৃপক্ষের দাবি, রমজানের এই স্পর্শকাতর সময়ে সেখানে সাম্প্রদায়িকতা মাথা চাড়া দিতে পারে এই আশংকায় রোজা রাখার বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
জিনজিয়াং প্রদেশের কাজাখস্তান সীমান্তবর্তী ঝিংঘে জেলায় ‘হালাল’ রেস্টুরেন্টগুলো খোলা রাখতে বলেছে দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মকর্তারা। রেস্টুরেন্ট মালিকদের দোকান খোলা রাখতে বিভিন্ন ভাবে উৎসাহিতও করা হচ্ছে।
এসময় যারা খাবার দোকান খোলা রাখবেন তাদের প্রতি সরকারি পরিদর্শন কর্মকর্তাদের সুনজর থাকবে বলেও এক ওয়েবসাইট বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে নির্বাসনে থাকা উইঘুর অধিকার ভিত্তিক সংগঠন ‘ওয়াল্ড উইঘুর কংগ্রেস’ মুখপাত্র দিলজাত রাজিত ও মানবাধিকার কর্মীরা ধর্মীয় আচার পালনে চীনের এই নিয়ন্ত্রণের সমালোচনা করেছেন।
দিলজাত বলেন, রোজা রাখাকে এভাবে রাজনীতিকীকরণ করা হচ্ছে। জিনজিয়াংয়ে ধর্মীয় রীতি পালনে এমন নিয়ন্ত্রণে ‘অস্থিতিশীলতা’ আরও বাড়বে।






