একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাত ১০টা ৩০ মিনিটে কাশিমপুর কারাগারে তার মত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইজিপি একেএম শহীদুল হক। এরমধ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তি দিয়ে কলঙ্কমোচনের পথে এগিয়ে গেল দেশ।
মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে অপহরণ, গুম, খুন ও নির্যাতনসহ ১৪টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
এর আগে, মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে অপহরণ, গুম, খুন ও নির্যাতনসহ ১৪টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বিচার কাজ শেষে ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের রায়ে ১০টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। পরে সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগের রায়ে একটি অভিযোগে ফাঁসি ও পৃথক ছয়টি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে সাজার দণ্ড পান মীর কাসেম। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার আসামির রিভিউ আবেদন খারিজ করে রায় বহাল রাখা হয়।
যে অভিযোগে ফাঁসি : মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গঠন করা ১১ নম্বর অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরদিন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমকে আটক করে আলবদর সদস্যরা ডালিম হোটেলের নির্যাতন কেন্দ্রে নিয়ে যায়।
২৮ নভেম্বর মীর কাসেমের নির্দেশে আলবদররা তাকে দিনভর নির্যাতন করে। নির্মম অত্যাচারে জসিম মারা গেলে আরো পাঁচজনের সঙ্গে তাকে কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দেয়া হয়। এ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল সর্বসম্মতভাবে মীর কাসেমকে সর্বোচ্চ সাজার আদেশ দেন, আপিল বিভাগও সর্বসম্মতভাবে তা বহাল রাখেন।







