আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে উপভোগ্য এক ম্যাচের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আবাহনী কোচ সাইফুল বারি টিটু। কিন্তু বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ঘটলো ঠিক এর উল্টোটা। এএফসি কাপে একপেশে ম্যাচে ভারতের চ্যাম্পিয়ন দল আইজলের বিপক্ষে চাপে থেকেও ১-১ গোলে ড্র করেছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড। আগের দেখায় আইজলের বিপক্ষে তাদের মাঠে ৩-০ গোলের জয় ছিল আকাশী-নীলদের।
এই ড্রয়ে ‘ই’ গ্রুপ থেকে পরের রাউন্ডে যাওয়ার পথ অনেকটা কঠিন হয়ে গেল আবাহনীর জন্য। চার ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনেই রইলো ঢাকার জায়ান্টরা। পরের রাউন্ড যেতে হলে বাকি দুই ম্যাচে জয়ের সঙ্গে অন্য দলগুলোর দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে দলটিকে। আবাহনীর পরের ম্যাচ ২ মে নিউ রেডিয়েন্টের বিপক্ষে, তাদেরই মাঠে। প্রথম দেখায় মালদ্বীপের দলটির কাছে ঘরের মাঠে ১-০ গোলে হেরেছিল টিটুর দল।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনীকে নিজেদের জন্য জায়গা বের করতে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩১ মিনিট পর্যন্ত। এ সময়টাতে স্বাগতিকদের রক্ষণে আতঙ্ক ছড়িয়েছেন আইজলের খেলোয়াড়রা। ১৬ মিনিটে অধিনায়ক আলফ্রেড কেমাহর শট প্রতিহত করে নিজেদের জাল বাঁচিয়েছেন আবাহনীর রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা।
অবশ্য আইজলের আধিপত্য থাকা সত্ত্বেও ৩১ মিনিটে এমেকা অনুওহার পেনাল্টি গোল এগিয়ে নেয় আবাহনীকে। প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে মোহাম্মদ ফাহাদ ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পরে স্পট কিকে বল জালে জড়ান আকাশী-নীলদের নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার।
বিরতির পর স্বাগতিকদের সামনে ভাল সুযোগ ছিল ম্যাচে ব্যবধান বাড়ানোর। ৫৯ মিনিটে সানডে চিজোবার ক্রসে গোল করতে ব্যর্থ হন আইজলের বিপক্ষে তাদের মাঠেই গোল করে আসা রুবেল মিয়া।
সেই ব্যর্থতার জন্য আফসোস বাড়তেই পারে আবাহনীর। কারণ এরপরই আক্রমণের চাপ বজায় রেখে সমতায় ফেরে আইজল। ৬৫ মিনিটে দলটির রোমানিয়ান মিডফিল্ডার আন্দ্রেই লোনেস্কুর ডান পায়ের জোরালো শট স্বাগতিক গোলরক্ষক শহিদুল আলম ফাঁকি দিয়ে ঠাই নেই জালে।








