এক সপ্তাহের মধ্যে কমছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম। তবে এতে বিদ্যুতের দাম কমবে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, উন্নয়ন কর্মসূচির কথা চিন্তা করলে আগামীতে বরং পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়তে পারে।
শিল্প, কল-কারখানা এবং জাহাজ শিল্পের চেয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুতের উৎপাদন খাতেই বেশি ব্যবহার হয় ফার্নেস তেল। বর্তমানে দাম লিটার প্রতি ৬০ টাকা হলেও আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ১৫-১৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলছেন, দাম কমার এই প্রভাব বিদ্যুত খাতে পড়বে না।
নসরুল হামিদ বলেন, গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করবো। বিদ্যুতের মূল্যও ধারাবাহিকভাবে সমন্বয় করবো। যেভাবে আমাদের ডেভেলপমেন্ট দরকার, আমি মনে করি সেই খরচ অনুপাতে একটি ব্রেক ইভেনে যাওয়া দরকার। এর জন্য আমাদের ২-৫ বছর লাগবে। সুতরাং সেই পর্যন্ত কিন্তু আমাদের একটা অবস্থানে যেতে হবে। অন্তত এতো বড় একটা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে।
এখনও সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে নসরুল হামিদ বলেন, আমরাতো সেই জায়গা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসতে চাই। সেই সরে আসার জন্য যে পরিকল্পনাগুলো; সেগুলো হলে পরে, একটা অবস্থান তৈরি হলে পরে; তখন সরকার হয়তো সেই জায়গা থেকে সরে আসবে।
ফার্নেস তেল ছাড়া অন্যান্য জ্বালানী তেলের বাজার মূল্য কিছুটা সমন্বয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাকি যেই জ্বালানিগুলো আছে সেগুলোর দাম কমবে কিনা সে ব্যাপারে আমরা এখনও সিদ্ধান্ত নেই নাই। তবে সেগুলোর ব্যাপারে আমাদের একটা যাচাই বাছাই চলছে।
‘সেগুলোর প্রাইস স্ট্রাকচারগুলো, বিপিসি’র (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন) অবস্থানটা আমরা ফোলো করছি। বিপিসির এখনও বেশকিছু টাকা দেনা রয়ে গেছে। সেই জায়গায় যদি কমফোর্ট অবস্থা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত দেয় তাহলেই সেখানে হয়তো কিছুটা সমন্বয় হতে পারে।’
আগামী ৪-৫ মাসের মধ্যে গ্যাস খাতের ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী।







