২০০৭ সালের আগে যুক্তরাষ্ট্রের ঘরোয়া মেজর সকার লিগ (এমএলএস) নিয়ে খুব একটা আগ্রহ দেখা যায়নি ফুটবল ভক্তদের মাঝে। রিয়াল মাদ্রিদ থেকে যখন ডেভিড বেকহ্যামকে সেই বছরের মার্চে দলে টানল এমএলএস দল এলএ গ্যালাক্সি, দৃশ্যটা রীতিমত পাল্টাতে শুরু করল। জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচদের মতো বিশ্বের নামকরা ফুটবলাররা খেলায় এমএলএস নিয়ে এখন বেশ আগ্রহ ফুটবল ভক্তদের মাঝে।
এই আগ্রহ জন্মানোর পেছনে সিকিভাগ কৃতিত্বটা চাইলে নিজের নামে নিতে পারেন বেকহ্যাম! ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক সেটির যোগ্য দাবিদারও বটে। রিয়াল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কাঁপানো সাবেক মিডফিল্ডারের প্রতি নিজেদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে এলএ গ্যালাক্সিও। ক্লাবটিতে বেকহ্যামের যোগদানের এক যুগপূর্তি উপলক্ষে নিজেদের স্টেডিয়ামের বাইরে বেকহ্যামের একটি ভাস্কর্য উন্মোচন করেছে তারা। এমএলএস ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো খেলোয়াড়ের ভাস্কর্য উন্মোচন করল কোনো ক্লাব।
শুধু নাম দিয়ে কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হননি বেকহ্যাম, নিজের ক্যারিশমা কাজে লাগিয়েছেন মাঠেও। পাঁচ মৌসুম খেলেছেন সেখানে। মোট ১২৪ ম্যাচ খেলে ২০ গোল করেছেন, দুবার লিগ শিরোপাও উঠেছে হাতে।
সাবেক ক্লাবের এমন কৃতজ্ঞতা প্রকাশে স্বাভাবিকভাবেই আপ্লুত হয়েছেন বেকহ্যাম। নিজ হাতে ভাস্কর্য উন্মোচনের দিনে এলএ গ্যালাক্সির প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশে কার্পণ্য করলেন না ৪৩ বছর বয়সী তারকা, ‘আমার স্বপ্ন আজ সত্যি হল।’
‘আমি ভীষণ গর্বিত যে আমাকে চিরতরুণ করে রাখার জন্য আপনারা এমন উদ্যোগ নিয়েছেন। আমার পরিবার বিশেষ করে বাচ্চারা এখানে খুব শীঘ্রই আসবে। এসে দেখবে আমরা কী করেছি, কী অর্জন করেছি।’
কেবল ভাস্কর্যই উন্মোচিত হয়নি, বেকহ্যামকে জয়ও উপহার দিয়েছে এলএ গ্যালাক্সি। মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে বাস্তিয়ান শোয়াইনস্টাইগারের শিকাগো ফায়ারকে ২-১ গোলে হারিয়েছে জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচদের গ্যালাক্সি। ম্যাচে দলটির হয়ে জয়সূচক গোল করেন সুইডিশদের সাবেক ফরোয়ার্ড।







