বাংলাদেশকে জঙ্গী রাষ্ট্র বানাতে বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। ধর্মীয় উন্মাদনা বন্ধে শক্তিশালী আইন প্রনয়ণ না করলে গুলশান হামলার মত ঘটনা শেষ নয় বরং শুরু বলেও মন্তব্য তাদের। জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ না করলে ধর্মীয় সন্ত্রাস মোকাবেলা করা সম্ভব নয় বলেও মত দেন তারা।
রাজনৈতিক দলগুলো ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার করণেই ধর্মের নামে ঘটানো সন্ত্রাস মোকাবেলা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করেন এই বিশিষ্ট নাগরিকরা। গুলশান হামলার আগে বেশ কিছুদিন ধরে চলা টার্গেট কিলিং এর পর থেকেই রাষ্ট্রকে সর্তক হওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন তারা। বলেন, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ দমনে সব দল এক হয়ে কাজ করার সময় এসেছে।
ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহারিয়ার কবির বলেন, ‘ঐক্য করতে হলে সমস্ত রাজনৈতিক দলই নয়, বিএনপিকেও সঙ্গে নিতে হবে। আজকে বিএনপিকে শেষ করে জামায়াত আওয়ামী লীগের মধ্যে ঢুকছে। এর গোটা বাংলাদেশটাকে তারা শেষ করবে। আমরা কি মোল্লা ওমরের আফগানিস্তান দেখতে চাইছি।’
তিনি বলেন, ‘আইএস নেই বললে তো চলবে না। জামায়াত ইসলামী যদি থাকে তাহলে আইএসের কি এখানে আলাদা করে সাইনবোর্ড খোলার দরকার আছে। তারাই তো ওদের কাজগুলো করে দিচ্ছে।’
সাবেক সামরিক কর্মকর্তা এবং এ নিরাপত্তা বিশ্লেষক মনে করেন, দেশের ভেতর-বাইরে বসে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা জঙ্গিদের মদদ দিচ্ছেন। সন্দেহভাজন বেসরকারি বিশ্বদ্যিালয়গুলোকে নজরদারীতে রাখা এবং জঙ্গি দমন আইন সংশোধনের সুপারিশ করেন তারা।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক সাবেক সেনা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আব্দুর রশিদ বলেন, আমাদের যেসব প্রমাণ বা সাক্ষ্য আছে তাতে দেখা যায় জঙ্গিদের মদদ ও অরিজিনটা সবচেয়ে বেশি আসে পাকিস্তান থেকে।’
জঙ্গিদের রাজনৈতিক সুরক্ষা কবচ দেয়া বন্ধ না হলে এসব সন্ত্রাসী হামলা থেকে বাঁচা সম্ভব হবে না বলে মনে করেন বিশিষ্ট নাগরিকরা।








