এ পর্যন্ত অনেক রেকর্ড বইতেই নাম লিখিয়েছেন বর্তমান সময়ের দুই সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এবার গিনেস রেকর্ড বুকেও নাম উঠলো তাদের। প্রতিবছর বিশ্ব রেকর্ড নিয়ে একটি করে বই প্রকাশ করে গিনেস কর্তৃপক্ষ। ২০১৬ সালের বইও প্রকাশ করেছে তারা। এতে ফুটবলের নতুন সব বিশ্ব রেকর্ডের হালনাগাদ করা হয়েছে। আর যারা এই রেকর্ড গড়েছেন, তাদের গিনেসের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে প্রতি রেকর্ডের জন্য একটি করে প্রশংসাপত্র।
বিশ্ব রেকর্ডের এই তালিকায় আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আর লিওনেল মেসিও। আছেন বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা মারিও গোটশেও।কোনো বদলি খেলোয়াড়ের একমাত্র গোল বিশ্বকাপ ফাইনালে দলকে জেতানোর এটি একটি রেকর্ড । বিশ্বকাপ মঞ্চে সবচেয়ে বেশি গোল করে এই তালিকায় আছেন আরেক জার্মান মিরোস্লাভ ক্লোজ।
দুটি রেকর্ডের জন্য তালিকায় জায়গা পেয়েছেন রোনালদো। ডি স্টেফানোকে টপকে স্প্যানিশ লিগে সবচেয়ে বেশি (২৭টি) হ্যাটট্রিক এবং ফেসবুক ও টুইটারে সবচেয়ে বেশি অনুসারী সংখ্যায় (২ কোটি ৭০ লাখ)। মেসির রেকর্ডটি চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বেশি গোলের (৭৭)।
তবে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন চেলসি কোচ হোসে মরিনহো। তার একারই চারটি বিশ্ব রেকর্ড। প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট (৯৫) এনে দেওয়া কোচ, ভিন্ন ভিন্ন ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে বেশি চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়, সবচেয়ে কম বয়সী (৪৯ বছর ১২ দিন) কোচ হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০০ ম্যাচের দায়িত্ব পালন করা এবং প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের মাঠে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অপরাজিত থাকা (৭৭)।
রেকর্ড বুকে আরো জায়গা পেয়েছেন ইটালির ফ্রান্সেসকো টট্টি (বেশি বয়সে গোল করা-৩৮ বছর ৫৯ দিনে)। নরওয়ের মার্টিন ওডিগার্ড (কম বয়সে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপে অভিষেক-১৫ বছর ৩০০ দিন)। টানা চারবার আফ্রিকার বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়ায় জায়গা পেয়েছেন আইভরি কোস্ট ও ম্যানচেস্টার সিটির ইয়া ইয়া তোরে। গোলকিপার হিসেবে সবচেয়ে বেশি গোল করার জন্য রেকর্ড বুকে আছেন সাওপাওলোর রোজারিও চেনি(ক্লাবের হয়ে ১২৪ গোল)।
নেতিবাচক রেকর্ডের জন্য তালিকায় জায়গা হয়েছে কোপা লিবার তোরেসের আলেসান্দ্রো বার্নালের। ম্যাচ শুরুর মাত্র ২৭ সেকেন্ডেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গোল করার জন্যে(১৭৮) আছেন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাবি ওমাচ। ডিফেন্ডার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে (৫৬ ম্যাচ)অপরাজিত থাকার কারণে তালিকায় আছেন বায়ার্ন মিউনিখের জেরম বোয়াটেং। আর আন্তর্জাতিকে টানা ৬১ ম্যাচে হেরে রেকর্ড বুকে ঠাই পেয়েছে সান মেরিনো।






