জমে উঠেছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ আসনের উপনির্বাচনের শেষ মুহুর্তের প্রচার। উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। ভোটাররা বলছেন, নির্বাচনে মূল-লড়াই হবে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামীলীগ প্রার্থীর। এগিয়ে আছেন দু’একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও। সুষ্ঠু নির্বাচনে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
আগামী ২২ মার্চ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে-১ আসনে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ উপ-নির্বাচন। আজ রাতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে প্রচার-প্রচারণা। তাই শেষ মুহুর্তের প্রচারে ব্যস্ত প্রার্থীরা। তবে সচেতন ভোটাররা। সুন্দরগঞ্জকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে হিসেব করেই ভোট দেবেন তারা।
উপনির্বাচনে বিএনপি না থাকলেও আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি, জাসদ, গণফ্রন্ট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, জেপি ও স্বতন্ত্রসহ সাতজন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী সবাই। যদিও মূল লড়াই নৌকা আর জাতীয় পার্টির মধ্যে।
আওয়ামীলীগ বলছে, এমপি লিটনকে হত্যায় জাপার সাবেক এমপি কাদের খান জড়িত থাকায় সাধারণ মানুষ জাতীয় পার্টিকে প্রত্যাখান করবে। আর জাতীয় পার্টির দাবী, একজনের বিচ্ছিন্ন অপরাধের দায় দলের নয়।
এদিকে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
গত ৩১ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন এমপি নিহত হওয়ার পর আসনটি শূণ্য হয়।
আরো দেখুন ফারুক হোসেনের তথ্য ও ভিডিও চিত্রে মৌসুমী সুলতানার রিপোর্টে:
https://youtu.be/kJwMCElKToU








