দেশ ভারত থেকে গরু এনে দেশের বাজারে বিক্রির ব্যবসা ছিল মো. শামসুর (৪৪) নামে একজনের। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে লেনদেনের সুবাদে একসময় গড়ে তোলেন জাল রুপি তৈরি সিন্ডিকেট। প্রতিমাসে ১০ থকে ২০ লাখ জাল রূপি তৈরি করত শামসুর।
বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানীর আদাবর থানাধীন শ্যামলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ভারতীয় জাল রুপিসহ তাকে আটক করে র্যাব-২। এ সময় তার কাছ থেকে জাল টাকা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।
গরু ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে গত পাঁচ বছর ধরে শুধুমাত্র জাল রুপি তৈরি করে সীমান্ত এলাকায় বিপণন করে আসছিলেন তিনি। গত বছরের এপ্রিলে জাল রুপিসহ ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে পুনরায় জাল রুপির ব্যবসাতে মনযোগ দেন। বছর ঘুরতেই আবারও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেন মো. শামসুর।
শামসুরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে র্যাব-২ এর মেজর মোজাম্মদ আলী চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, শামসুরের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ এলাকায়। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে আগে গরু ব্যবসা করলেও গত ৫ বছর ধরে জাল রুপি তৈরির ব্যবসা করে আসছিল সে। তার বিভিন্ন জেলায় ডিলার রয়েছে, জাল রুপিগুলো তৈরি শেষে ডিলারদের মাধ্যমে রাজধানীসহ সারাদেশে জাল রুপিগুলো ছড়িয়ে দিতো সে।
২ লাখ জাল রুপির প্রতিটি বান্ডেল ২০-৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করতো সে। মূলত সীমান্ত এলাকার গরু ব্যবসায়ী এবং ব্ল্যাকে মালামাল আনা ব্যবসায়ীই তার প্রধান টার্গেট ছিলো।
মো. শামসুর প্রতি মাসে ১০ থেকে ২০ লাখ জাল রুপি তৈরি করে সীমান্তের দুই পাশের দালালদেরকেই সরবরাহ করতো বলেও জানান তিনি।







