ভারতের সংশোধিত নাগরিক আইন সংকটের পর থেকে গত দুই মাসে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ৪৪৫ জনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক সবাই বাংলাদেশী বলে জানিয়েছে বিজিবি, যারা বিভিন্ন সময় ভারতে কাজের সন্ধানে গিয়েছিল। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো বিজিবির রুটিন ওয়ার্ক। যার ফলে নাগরিক আইন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের কারণ নেই বলেও জানিয়েছে বিজিবি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পিলখানা বিজিবি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, গত এক বছরে সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে নারী-শিশুসহ ৯৭২ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ২৫৩ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত সকলের বাড়ি বাংলাদেশে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। যারা বিভিন্ন সময়ে দালালের মাধ্যমে কাজের সন্ধানে পাড়ি দিয়েছেন বা পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
ভারতে নাগরিক আইন সংকটের পর অনুপ্রবেশের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত নভেম্বর এবং ডিসেম্বরে ৪৪৫ জন অনুপ্রবেশ করেছে। বিশেষ করে ঝিনাইদহ, মহেশপুর এবং সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে। তারাও সবাই বাংলাদেশের নাগরিক, কাজের সন্ধানে তারা সেই দেশে পাড়ি দিয়েছেন। অনেকে বেঙ্গালুরুতে কাজ করতেন। নাগরিক আইন সংকটের পর তারা দেশে ফিরেছেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতে নাগরিক আইন সংকট নিয়ে বিজিবি উদ্বিগ্ন নয়। সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব, অবৈধভাবে কেউ সীমান্ত অতিক্রম করতে পারবে না। এটি আমাদের রুটিন দায়িত্ব। এনআরসি বা সিএএস ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।







