কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের এখন দুঃসহ সময়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর বসত ঘরসহ সব কিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে প্রায় দশ হাজার পরিবারের ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা। বর্তমানে এদের অধিকাংশেরই ঠাঁই হয়েছে খোলা আকাশের নিচে তাবু খাটিয়ে, অনেকের সে সুযোগও নেই।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মহসিন জানিয়েছিলেন, ৩৮শত রোহিঙ্গা পরিবারকে বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় দেয়া হয়েছে। বাকিরা এখনও তাদের পুড়ে যাওয়া বাড়ি খুঁজে ফিরছে।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ও রেডক্রিসেন্টসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা গতকাল দুপুর থেকে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে।
ত্রাণ মন্ত্রণালয় সচিব মোহাম্মদ মহসিন জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের কমিটি কাজ শুরু করেছে। তিন দিনের মধ্যেই তারা রিপোর্ট জমা দেবে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ লাখ টাকা ও ৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে আজ দুপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। হেলিকপ্টারে করে তিনি উখিয়া উপজেলার বালুখালীতে পৌঁছাবেন।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালীতে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ হয়ে দুই শিশুসহ এপর্যন্ত ৭ জন রোহিঙ্গা মারা গেছে।







