সম্প্রতি একনেকে খুলনা-মংলা রেললাইন প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে খুলনাবাসীর মনে। ৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়েছে খুলনার সব শ্রেণীর পেশার মানুষ। চলতি মাসে কাজ শুরু হওয়ায় আশায় দিন গুণছেন তারা।
দেশের দ্বিতীয বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মংলা থেকে পণ্য আনা নেওয়ার জন্য খুলনা-মংলা রেললাইন প্রকল্প দীর্ঘদিনের দাবি ছিল খুলনাবাসীর। ২০১৪ সালে প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর গতমাসে ৩ হাজার ৮শ এক কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয়।
বর্তমানে বন্ধ থাকা ফুলতলা রেলস্টেশন থেকে শুরু করে মংলা পর্যন্ত ৮ টি স্টেশনের পাশাপাশি এই লাইনের সৌন্দর্য্য মূলতঃ রূপসা নদীর ওপরেই থাকবে। বর্তমান রূপসা সেতুর এক কিলোমিটার পশ্চিমে ডাবল লাইনের একক দীর্ঘ রেলসেতু নির্মিত হবে এই লাইনে।
খুলনা-মংলা রেল লাইন প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী মো: মনিরুজ্জামান জানান, আমরা মূলত তিনটি ধাপে কাজটি করবো। প্রথম ধাপে ব্রিজের কাজ শুরু হবে এবং একই সময়ে আমাদের রেল ট্রাকের কাজ শুরু হবে। শেষ পর্যয়ে সিগনালিং ও টেলি-কমিউনিকেশনের কাজ করা হবে।
প্রকল্পটিকে স্বাগত জানিয়েছে রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ। তারা জানান, এটাকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি। আর আমরা যে বর্ধিত করতে চাই যে এলাকাটা তার ভেতর দিয়েই এই রেল লাইনটা যাচ্ছে। তাতে করে বিভাগীয় শহর হিসেবে খুলনার গুরুত্বটা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে খুলনা জেলা প্রশাসক মনে করছেন, ঢাকার পরই খুলনার অবস্থান থাকবে।
প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের কাজ শেষের সময় ঠিক করা হয়েছে ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত। প্রকল্পটি চালু হলে মংলা সমদ্রবন্দর থেকে পণ্যবাহী কন্টেইনার বাংলাদেশ ও ভারতে আনা নেওয়া সহজ হবে বহুগুণ। প্রকল্প খরচের সিংহভাগ আসবে ভারতীয় ঋণ সহায়তা থেকে।






