কাতারকে আরও চাপে রাখতে নতুন একটি খাল খননের পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব। যার ফলে কাতার হয়ে পড়বে পুরোপুরি আলাদা একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
সৌদি আরবের এক সরকারি সূত্র দুই উপসাগরীয় দেশের মধ্যে চলা বিবাদের মধ্যেই এমন তথ্য জানিয়েছে।
ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সিনিয়র অ্যাডভাইজার সাউদ আলকাহতানি টুইটারে লিখেছেন, আমি অধীর হয়ে অপেক্ষা করছি সালওয়া দ্বীপ প্রজেক্টের প্রয়োগের জন্য। এই বিশাল ঐতিহাসিক প্রজেক্টটি এ এলাকার ভূগোল বদলে দেবে।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, কাতার উপদ্বীপ সৌদির মূলভূমি থেকে আলাদা হয়ে পড়বে। এটাই এখন দুই দেশের মধ্যে বিগত ১৪ মাস ধরে চলা বিতর্কের মূল জায়গা।
কাতারের প্রতি সন্ত্রাসবাদে সমর্থন এবং রিয়াদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরির অভিযোগ এনে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, ইউএই, বাহরাইন এবং মিশর। যদিও এসব অভিযোগ দোহা অস্বীকার করেই এসেছে।
এপ্রিলে সরকারপন্থী সাবাক নিউজ ওয়েবসাইটে বলা হয়, সরকার একটি ৬০ কিলোমিটার লম্বা ও ২০০ মিটার প্রস্থের চ্যানেল তৈরির পরিকল্পনা করছে। তার অবস্থান হবে কাতার-সৌদি সীমান্তে। এটি তৈরিতে খরচ হবে ২.৮ বিলিয়ন রিয়াল। পারমাণবিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এটি সংরক্ষিত থাকবে।
খাল খননে বিশেষজ্ঞ পাঁচটি নাম না জানা কোম্পানিকে এই প্রজেক্টে নিলাম ডাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। সেপ্টেম্বরে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে খবর প্রকাশ করেছে মক্কা নিউজপেপার।
তবে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য জানায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ। তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া ছিলো না কাতারেরও।
প্রবল বিতর্কের পরে গত বছর কাতার আবিস্কার করে তাদের একমাত্র স্থলবন্দরটি বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের দেশীয় এয়ারলাইনস পার্শ্ববর্তী দেশের এয়ারস্পেস ব্যবহার করতে পারছে না। শুধু তাই নয়, বয়কট করা দেশগুলোতে কাতারিদের বহিষ্কারও করা হচ্ছে।
যদিও কুয়েত ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে। তবে তারা ব্যর্থ হয়।








