প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উপকূলের দুর্গত এলাকার মানুষের পুনর্বাসনে সরকার সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘জনগণের সেবার জন্যই আমরা রাজনীতি করি। শুধু সরকারি দলে থাকলেই নয়, বিরোধী দলে থাকতেও আমরা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।’
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মাহাবুব উল আলম হানিফের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি দুর্গত মানুষের পুনর্বাসনে সহায়তার কথা তুলে ধরেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ইতোমধ্যে নৌবাহিনীর দুটি জাহাজ ত্রাণ নিয়ে দুর্গত এলাকায় পৌঁছেছে। বিমান বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যাদের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। প্রত্যেকে যাতে ঘর বানাতে পারেন সে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন: ১৯৯১ সালে ঘূর্ণিঝড়ের সময় বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। সেই ঘূর্ণিঝড়ের আগাম কোন ঘোষণা বা প্রস্তুতি না থাকায় লাখ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল। তখনও আওয়ামী লীগ টিম নিয়ে দুর্গত এলাকায় গিয়েছিল। মানুষের দাফনের ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছিল। সেই সময়ে সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করা হলে তৎকালীন সংসদ নেতা বেগম খালেদা জিয়া সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন: ‘যত মানুষ মরার কথা ছিল তত মানুষ মরেনি’।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে সরকার সব সময় সতর্ক রয়েছে এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঝড় এলে কী কী করণীয়, এ ব্যাপারে একটি বই ছাপানো হয়েছে। বইটিতে স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দ্রীয়ভাবে কী করণীয় তার সব ধরনের গাইড লাইন দেয়া রয়েছে। তাছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ১শ’টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ২২০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের নির্মাণকাজ চলছে। ভবিষ্যতে আরও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।







