বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে কানাডিয়ান হিউম্যন রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (সিএইচআরআইও) ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ এবং মানবাধিকার সংরক্ষণে ‘ডেমোক্রেসি হিরো’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কারে ভূষিত করায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এর সাবেক নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএমএ’র সাবেক নেতারা খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্বে অনগ্রসর জনগণের জন্য গণতন্ত্র, মানবাধিকার, শান্তি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ এবং ‘ডেমোক্রেসি হিরো’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজন্ম সংগ্রাম করে গেছেন। তার স্বামী বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম এর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ ৯ বছরের আপোষহীন সংগ্রামে ১৯৯০ সালে তিনি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে ২০০৭ সালে ১/১১ তে গণতন্ত্র আবার ভুলন্ঠিত হয়। সেসময় থেকে আজ অবধি তিনি দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারে নিরলস সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।
বিএমএ’র সাবেক নেতারা বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে মিথ্যা, বানোয়াট মামলায় তাকে ২০১৮ সাল থেকে অন্যায়ভাবে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে। এরই মাঝে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। সরকারের কাছে বারংবার দাবী জানানো সত্ত্বেও মানবাধিকারকে বৃদ্ধাঙলি দেখিয়ে তার চিকিৎসার কোন সুব্যবস্থা না করে শুধুমাত্র জিঘাংসা চরিতার্থ করার জন্য তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণতন্ত্র লুণ্ঠিত করার এই চরম অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এই অর্জন তাকে দেশের গন্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়াও বিবৃতিতে বিএমএ’র সাবেক নেতৃবৃন্দ দেশের চিকিৎসক সমাজের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান।







