বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যার অভিযোগে একটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা কুমিল্লায় আর একটি সহ নড়াইলের মানহানির মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার করা জামিন আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামিকাল এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
রোববার আদালতে খালেদা জিয়ার জামিনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আর আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। এরপর থেকেই খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।
তবে এ মামলায় খালেদা জিয়া জামিন আবেদন করলে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন। কিন্তু জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ আলাদা লিভ টু আপিল করলে গত ১৬ মে তা খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।
এ রায়ের ফলে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদার জামিন বহাল থাকে। তবে আরো কয়েকটি মামলায় জামিন না থাকায় কারাগার থেকে খালেদা জিয়া বের হতে পারেননি।
এরপর গত ২০ মে কুমিল্লার ২টি ও নড়াইলে মানহানির ১টি এবং গত ২২ মে ঢাকার আদালতে চলা দুই মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া।








