চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

খালেদার জামিন শুনানিতে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গ

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
১:১৭ অপরাহ্ন ১২, ডিসেম্বর ২০১৯
- সেমি লিড, আদালত
A A

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদনের শুনানি করতে গিয়ে আদালতে তার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরিফের প্রসঙ্গ টেনেছেন।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চে শুনানিতে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরিফের প্রসঙ্গ টেনে খালেদার আইনজীবী আদালতকে বলেন, ‘মাই লর্ড, যে পাকিস্তানকে আমার বর্বর দেশ বলে জানি, সেই পাকিস্তানের উচ্চ আদালতই মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে সে দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে জামিন দিয়েছেন।’

‘‘এমনকি জামিনে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডন পাঠিয়েছে। তাই আমরাও আপনাদের কাছে মানবিক বিবেচনায় খালেদা জিয়ার জামিন চাইতে পারি।’’

তিনি আরও বলেন, ‘মাই লর্ড, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থা এমন যে, তার শরীরে মেডিসিন পুস করা যাচ্ছে না। এভাবে আর ছয় মাস পর হয়ত সে লাশ হয়ে বের হবে। তাই আমরা মানবিক বিবেচনায় জামিনের জন্য আপনাদের কাছে এসেছি।’

‘‘উপরে আল্লাহ ছাড়া আর আপনারা ছাড়া আমাদের তো যাবার আর কোনো জায়গা নেই, তাই বারবার আপনাদের কাছে আসি। আপনারা ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্তকেও জামিন দিয়েছেন। আপনাদের এই আদালতেরই সিদ্ধান্ত আছে নারী ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে জামিন বিবেচনা করার। উনি অসুস্থ, হাঁটাচলা করতে পারেন না। উনি তো আর পালিয়ে যাবেন না। তাই ওনাকে মানবিক বিবেচনায় জামিন দেয়া হোক।’

শুনানির এই পর্যায়ে ‘আমরা আসছি’ বলে আদালত বিরতিতে যান।

Reneta

এর আগে বুধবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুপ্রিম কোর্টে এই মেডিক্যাল প্রতিবেদন এসে পৌঁছায়। সেটার ওপরেই শুনানি শুরু করেন খালেদার আইনজীবীরা।

আজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে আছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। যদিও এ জামিন আবেদনের শুনানিতে দুইপক্ষের ৩০ জন করে মোট ৬০ জন আইনজীবী থাকার অনুমতি দেয়া হয়েছিল, তবে শুনানির সময় আদালতে রয়েছেন দুই পক্ষের শত শত আইনজীবীরা।

এই জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার পুরো সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকেই কোর্টের প্রতিটি প্রবেশপথ ও আদালত চত্বরের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যদের দেখা গেছে।

এছাড়াও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে এবং বার ভবন থেকে মূল কোর্ট ভবনের গ্যাংওয়েতে নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মত। এর বাইরে আদালত অঙ্গনে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার বাড়তি সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

সকাল আটটার পর থেকেই আর্চওয়ে এবং মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টদের পরিচয়পত্র দেখে আদালত চত্বরে প্রবেশ করানো হচ্ছে।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ খালেদার সর্বশেষ স্বাস্থ্যগত অবস্থার মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন। কিন্তু মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন দিতে ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সময় আবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এরপর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে মেডিক্যাল প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়ে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানির জন্য ১২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

এই দিন ধার্যকে কেন্দ্র করে প্রধান বিচারপতির আদালতে ওইদিন ২১০ মিনিটের ‘নজিরবিহীন’ হট্টগোল হয়। সেদিন একপর্যায়ে এজলাস ছেড়ে চলে যান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ। আদালত কক্ষের ওই হট্টগোলের প্রেক্ষাপটে প্রধান বিচারপতির আদালত কক্ষে ৮টি সিসি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরা বসানো হয়।

এর আগে এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। সে খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে গত ১৪ নভেম্বর আপিল বিভাগে আবেদন করে জামিন চান খালেদা জিয়া।

গত বছরের ১৮ নভেম্বর এ মামলায় ৭ বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। সে আপিলে বিচারিক আদালতের দেয়া সাজার রায় বাতিল এবং মামলা থেকে খালাস চাওয়া হয়। সেই সাথে জামিন আবেদনও করা হয়।

ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে এ মামলায় ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন। মামলার বাকি সব আসামিকেও একই সাজা দেয়া হয় এবং ট্রাস্টের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ঘোষণা করেন আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগে বেগম খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

এ মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে ছিলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর সাবেক এপিএস জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এপিএস মনিরুল ইসলাম।

সর্বশেষ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের সাজার রায় ঘোষণার পর বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউ হাসপাতালে রয়েছেন।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: খালেদা জিয়া
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ দিচ্ছে বিসিবি

এপ্রিল ১৬, ২০২৬

বিচারপ্রার্থী মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি

১৭ এবং ১৮ এপ্রিল মণিপুরিদের ঐতিহ্যবাহী বিষু উৎসব

এপ্রিল ১৬, ২০২৬

বিশ্বকাপকে ঘিরে টরন্টোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ উপেক্ষা করে আবারও হরমুজ পাড়ি দিল ইরানের ট্যাংকার

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT