কয়লার অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি শিঘ্রই চালু হচ্ছে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এক মাস লাগবে। কয়লা চুরিতে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পেট্রোবাংলাকে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
কয়লার মজুদ না থাকায় রোববার রাত ১২টার পর থেকে দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ করে দেয় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পিডিবি। কয়লার মজুদ কাগজে কলমে ১ লাখ ৪০ হাজার টন থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে মাত্র ১০ হাজার টন পাওয়া যায়। এত কয়লা কোথায় গেল- তা নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের টিম তদন্তে নেমেছে।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, খনি থেকে নতুন করে কয়লা উত্তোলন না হওয়া পর্যন্ত বড় পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিট চালু রাখতে প্রতিদিন ৫ হাজার ২শ’ মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন। বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৬ থেকে ৭শ’ টন কয়লা সরবরাহ শুরু করলে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। এর পরই কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার বিষয়টি পেট্রোবাংলার নজরে আসে। এনিয়ে দুদকও তদন্ত করছে।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







