রুশ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত করার ঘটনায় তুরস্কের উপর বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে রাশিয়া। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকছে তুরস্কের নাগরিক ও বিভিন্ন তুর্কি পণ্য। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ বললেও এ জন্য রাশিয়ার কাছে ক্ষমা চাইবেন না তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান।
আগেই ইঙ্গিত ছিলো, তুরস্কের ক্ষেপণাস্ত্রে রুশ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ক্রেমলিন সহজভাবে নেবে না। শনিবার তার প্রতিফলনও দেখলো বিশ্ব। ডিক্রির মাধ্যমে তুরস্কের ওপর বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। ডিক্রিতে তুরস্ক থেকে বিভিন্ন পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
রাশিয়ায় তুর্কি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং রুশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তুর্কি নাগরিকরাও নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছেন। তবে ঠিক কিভাবে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে সেটা বিস্তারিত জানানো হয়নি।
ডিক্রিতে দু’ দেশের মধ্যে চার্টার ফ্লাইট বন্ধের কথাও বলা হয়েছে। তুরস্কের নাগরিকদের কোনো পর্যটন প্যাকেজ না দিতে এজেন্সিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে রাশিয়া।
রাশিয়া কঠোর হওয়ায় সুর নরম করেছেন তুর্কি প্রেসিডন্টে রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। বলেছেন, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাটি দুঃখের। তবে এর জন্য রাশিয়া চাইলেও ক্ষমা তিনি চাইবেন না।
আগামী সপ্তাহে প্যারিসে জলবায়ু সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের জন্য মস্কোকে চিঠিও দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও, কোন কোন পণ্য এর আওতায় পড়ছে তার কোনো তালিকা দেয়নি রাশিয়া।
তবে রাশিয়া তুরস্কের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। গত বছর রাশিয়ায় দেড় বিলিয়ন ডলারেরও বেশি চামড়াজাত পণ্য ও বস্ত্র রফতানি করেছিলো তুরস্ক।






