শুরু করেছিলেন ক্রিস গেইল। সাব্বিরও চালাচ্ছিলেন সমান তালে। প্রথম ওভারেই রনি তালুকদারকে হারিয়ে হোঁচটটা তুরি মেরে উড়িয়ে দিচ্ছিলেন এই দুই বিধ্বংসি ব্যাটসম্যান। গেইলের মতো অতিমানবীয় এক ব্যাটসম্যানের সাথে টাইগারদের অলরাউন্ডার এবং হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান সাব্বিরের নাম এক পাল্লায় আনলে সাব্বিরও নিশ্চয়ই লজ্জায় পড়ে যাবে। তবে রানের খাতাতে আজ সাব্বিরের সংগ্রহই বেশি।
শুরুতেই বিশাল স্কোরের যে আভাস পাওয়া গিয়েছিলো তা গেইল ও সাব্বিরের বিদায়ের পরই দূর হয়ে যায়। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে বরিশাল বুলসের সংগ্রহ ১৩৫ রান। ঢাকা ডায়নামাইটসকে ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে কুমার সাঙ্গাকারা, নাসির হোসেনদের দুর্গম পথই পাড়ি দিতে হবে।
তবে ম্যাচের ৮.৩ ওভারে মিরপুরে যে ঝড়টা বয়ে গেছে তাতে সাব্বিরের ভূমিকাও কোন অংশে কম নয়। এই সময়ে ৮.২৩ রানরেটে ৭০ রান তুলেন এই দুজন। যেখানে গেইলের অবদান ১৯ বলে ২ টি ছক্কা ও ৪ টি সুদৃশ্য চারে সাজানো ৩১ রান। গেইলের ব্যাটিং ছিলো আজ তার স্বভাবজাত নির্বিকার ভঙ্গির এবং বিশালকার। সাব্বিরও ৩ ছক্কা ও ৩ চারে ৩৯ বলে ৪১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৩৩ বলে ৩৭ রান করে দলীয় পুঁজি বাড়াতে ভূমিকা রাখেন।
ঢাকা ডায়নামাইটসের মুস্তাফিজুর রহমান আজ তার দুর্দান্ত সব ডেলিভারিতে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। গেইল এবং মাহমুদুল্লাহকে ফিরিয়ে তিনি মূল আতঙ্কই বিদায় করেন। রানও আটকে রাখতে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা রাখেন। অন্য দুটি উইকেট ফেরান নাসির হোসেন এবং নাবিল সামাদ।






