তিন দিন আগেই বাফুফে জানিয়ে দিয়েছিলো আবারও বাংলাদেশ ফুটবল দলের দায়িত্ব নিচ্ছেন ডাচ কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ। কিন্ত ক্রুইফ নিজেই এখনও নিশ্চিত নন, বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশন আসলে কীভাবে কী চুক্তিতে তাকে চাচ্ছে।
চ্যানেল আই অনলাইনকে লোডভিক ডি ক্রুইফ বলেন, এবার আমি একটু বেশি সতর্ক। কারণ আগেরবার চুক্তি অনুযায়ী কাজ করতে যে যে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি তা আর নিতে চাই না। চুক্তিতে বাফুফে কোন শুভংকরের ফাকিবাজি রাখছে কি না তাও নিশ্চিত হতে চাই। বলতে পারেন দেখে শুনে বুঝে আগাবো।
বাফুফের কথা অনুযায়ী ১০ মের মধ্যে ক্রুইফ দলের দ্বায়িত্ব নিচ্ছেন। কিন্তু তা পুরোপুরি অস্বীকার করে ক্রইফ বলেছেন, এটা ভুল তথ্য দিচ্ছে বিএফএফ, আমি এখানে একটি ক্লাবের সঙ্গে কাজ করছি আসলে তাদের ছাড়ার আগে সব কিছু একটি সিস্টেম অনুযায়ী হতে পারে। কিন্তু বাফুফে যেভাবে এগুতে পছন্দ করে আমার তা পছন্দ না। আমি মনে করি সমস্যা আমার না, সমস্যা তাদের।
এশিয়া কাপ বাছাইয়ের প্লে অফে তাজিকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ ২ জুন। ফিরতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ ৭ জুন। এরপরই হয়তো দীর্ঘস্থায়ী একজন কোচ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল দল।
২০১৩ সালে প্রথমবারের মত ক্রুইফকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে চাকরি ছেড়ে দিলে পরের বছরের জানুয়ারী মাসে আবারো নিয়োগ দেয়া হয় ক্রুইফকে।
তখন শুধু বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের জন্যেই তাকে রাখা হয়েছিল।
এরপর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বসহ বেশ কিছু ম্যাচের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল ক্রুইফকে। শেষ পর্যন্ত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেপ্টেম্বরে অনেকটা হতাশা নিয়ে বাংলাদেশকে গুড বাই বলে দিয়েছিলেন লোডভিক ডি ক্রুইফ।








