ক্যারিবিয়ান ফাস্ট বোলারদের আক্রমণে শুরু থেকেই ব্যাটিংয়ে সুবিধা করতে পারছিলো না জুনিয়র টাইগাররা। একের পর এক উইকেট পতনের পরেও টাইগার যুব অধিনায়ক মিরাজের ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাড়ায় ২২৬ রান।
জবাবে ব্যাট করতে অধিনায়ক মিরাজের দুই উইকেটের শিকারের পরও ভালো অবস্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় ৪৪ রানে টেভিন ইমলাক এবং ৫৬ রানে গিড্রন পোপকে আউট করেন মিরাজ। ৭ ওভারের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় ক্যারিবিয়ানরা।
ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের ৮৫ রানের জুটি দলকে বড় সংগ্রহের জোড়ালো আশা যাগালেও ৪৬ তম ওভারের পরপর দুই বলে দুজনকে ফিরিয়ে তা গুড়িয়ে দেন কিমু পল।
৩০ ওভার পর্যন্ত আলজারি জোসেফ, কেমার হোল্ডার, রিয়ান জন এবং শ্যামার স্প্রিঙ্গারের দ্রুতগতির বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারেনি জুনিয়র টাইগাররা। এই সময়টিতে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান করে তারা। পরে তিন স্পিনারকে আক্রমণে আনলেও সবকটি উইকেটই ভাগ করে নেন ৫ পেসার।
৩১ তম ওভারে জিড গুলির মাধ্যমে ইনিংসের প্রথম স্পিন আক্রমণ শুরু করে ক্যারিবিয়ানরা। পরে ঘূর্ণিতে টাইগারদের পরাস্ত করতে বল হাতে নেন মিশেল ফ্রিউ ও গিড্রন পপ। কিন্তু অধিনায়ক মিরাজ ও সাইফুদ্দিনের দায়িত্বশীল দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনীতে স্পিনাররা সুবিধা করতে পারেননি। রানের চাকাও ভালোমতোই সচল রাখেন তারা। ৪৬ তম ওভারে মিরাজ-সাইফুদ্দিনের বিদায়ের আগপর্যন্ত ১৯৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।
ম্যাচের ৪৬ তম ওভারে দ্রুতগতির বোলার কিমু পল ৩ ও ৪ নম্বর বলে মিরাজ ও সাইফুদ্দিনকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সুযোগ সৃষ্টি করেন। হ্যাটট্রিক না পেলেও জুনিয়র টাইগারদের শেষ আশাও নিভিয়ে দেন তিনি। মিরাজ-সাইফুদ্দিনের ৮৫ রানের জুটিই দলকে লড়াই করার মতো বড় পুজির দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
অধিনায়ক মিরাজ খেলেন ৭৪ বলে ৬০ রানের এক অসাধারণ ইনিংস। ৫৫ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন সাইফুদ্দিন। জয়রাজ শেখ ৩৫ রানের ইনিংস এবং জাকির হাসান ২৪ রান করেন।
কিমু পল তিনটি উইকেট, হোল্ডার ও স্প্রিঙ্গার দুইটি করে এবং জোসেফ ও জন একটি করে উইকেট শিকার করেন।





