প্রথমদিনে খেলা হল ৮৩ ওভার। তাতে ১৯৩ রান উঠতে উইকেট পড়ল ১১টি। অনুমানমত জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সে রাজত্ব করল বোলাররাই। পুরো সিরিজের চিত্র ধরে রেখে তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ভারত অলআউট ১৮৭ রানে। কোহলি-পূজারা ছাড়া আবারও ব্যর্থ সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপ। যাতে ভূমিকা থাকল সাউথ আফ্রিকার প্রত্যেক বোলারেরই।
ব্যাটিং ব্যর্থতার পর দিনশেষে ভারতকে একটু স্বস্তি এনে দিয়েছেন ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলা পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। পার্থিব প্যাটেলের ক্যাচ বানিয়ে ফিরিয়েছেন প্রোটিয়া ওপেনার এইডেন মার্করামকে (২)।
প্রথমদিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ এক উইকেটে ৬ রান। ক্রিজে আছেন ডিন এলগার (৪) ও নাইটওয়াচম্যান কাগিসো রাবাদা (০)।
কোহলি, পূজারা ও ভুবেনেশ্বের লড়াকু ইনিংসের পরও আগের দুই টেস্টের পুরনো ছবি দেখে ভারত। উপরের তিনজনের মোট রান যেখানে ১৪৪, সেখানে দলের বাকি আটজন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের কোটাই স্পর্শ করতে পারেননি। তাদের মিলিত সংগ্রহ ৫৩ রান। ভারত অলআউট দুইশর আগেই। শুরুতে এক উইকেট হারালেও তাই দিনশেষে এগিয়ে আছে প্রোটিয়ারাই।
দ্বিতীয় সেশনে অর্ধশতরান করার পরেই আউট হয়ে যান ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি (৫৪)। ভাল পারফরম্যান্স দেখালেও, ফের লুনঙ্গি এনগিডির শিকার হন তিনি। ৯৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। কোহলি ফেরার পর চেতেশ্বর পূজারা ও অজিঙ্কা রাহানে হাল ধরার চেষ্টা করেন।
পূজারা ধৈর্য ধরে ক্রিজে টিকে ছিলেন। রানের খাতা খুলতেই ৫৪ বল খরচ করে নেতিবাচক একটি রেকর্ডের মালিক বনে যেতে বসেছিলেন। সবচেয়ে বেশি বল খেলে রানের খাতা না খোলার রেকর্ড। সেটি করতে হয়নি, তবে দুবার জীবন পেয়ে ইনিংস ৫০এর বেশি টানতে পারেননি। ভাল করতে পারেননি আগের দুই টেস্টে জায়গা না পাওয়া রাহানেও (৯)।
ওয়ান্ডারার্সের প্রাণবন্ত পিচে সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বিরাট। ভারতীয় দলে দু’টি পরিবর্তন হয়। রোহিত শর্মার জায়গায় দলে নেয়া হয় রাহানে এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জায়গায় পেসার ভুবনেশ্বর কুমারকে। কোন স্পিনার না নিয়েই মাঠে নেমেছে ভারত। একই অবস্থা সাউথ আফ্রিকারও, তারাও কোন স্পিনার রাখেনি।
এদিন আফ্রিকার হয়ে রাবাদা ৩টি, ফিনল্যান্ডার, মরকেল ও ফাঙ্গিসো নেন ২টি করে উইকেট। বাকি উইকেটটি লুনঙ্গি এনগিদির।








