আসন্ন ঈদুল আযহার পশু কোরবানির বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এছাড়া বর্জ্য অপসারণের সার্বিক কাজ ফেসবুকে তদারকি করা হবে।
সিটি মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বুধবার কর্পোরেশনের কোরবানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সাথে এক দিক নির্দেশনামূলক সভায় এ ঘোষণা দেন।
সভায় ডিএসসিসির সব ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও পরিবহন চালকরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, ‘গত বছর ২৪ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সফল হয়েছিলাম। এবার কি পারব? সবাই হাত তুলেন।’ এ সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা হাত তুললে তিনি তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ দেন।
সাঈদ খোকন বলেন, ঈদের দিন নামাজের পর সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়। এই বর্জ্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ করা হবে। রাজধানীতে ঈদের পরদিন কিছু কোরবানী হয় ও তৃতীয় দিনও কিছু পশু কোরবানি হয়। দ্বিতীয় দিনে যে কোরবানী হবে তার বর্জ্য ওইদিন রাতে অপসারণ করা হবে এবং তৃতীয় দিনের বর্জ্য ওইদিনই অপসারণ করা হবে।
নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে ৫টি পশু কোরবানির নির্ধারিত স্থান হিসেবে ডিএসসিসি এলাকায় ৩৩৯টি কোরবানির নির্ধারিত স্থান রয়েছে। সেখানে প্যান্ডেল, পানি, ইমামসহ যাবতীয় ব্যবস্থা রাখা হবে। নগরবাসী যদি ওইসব নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানী করেন তাহলে সিটি কর্পোরেশনের জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।
মেয়র বলেন, ‘নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি কোন কারণে সম্ভব না হলে যেখানেই কোরবানি করবেন সেখানে পানি কিংবা রক্ত জমতে দেবেন না। পশুর রক্ত পানি দিয়ে ধুয়ে সেখানে ব্লিচিং পাউডার দিতে হবে। এছাড়াও সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সবাইকে বড় ব্যাগ দেয়া হবে। সেই ব্যাগে বর্জ্য ঢুকিয়ে নির্ধারিত স্থানে রাখবেন। আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ করবেন।’
তিনি বলেন, বর্তমানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন। যদি কোরবানির বর্জ্য, পানি, রক্ত ইত্যাদি অপসারণ না করা হয় তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।
কারও এলাকায় যদি বর্জ্য থেকে যায় তাহলে সিটি কর্পোরেশনের হটলাইন নম্বর- ০৯৬১১০০০৯৯৯ এ ফোন করার আহবান জানিয়ে মেয়র বলেন, হটলাইনে অপারেটররা আপনার বাসা-বাড়ি কিংবা এলাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী পাঠিয়ে দেবেন।








