সাভারের চামড়া শিল্প নগরী এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়ায় হাজারীবাগের কারখানায় চামড়া লবণজাতের সুযোগ পেয়েছেন ট্যানারি মালিকরা। তাদের দাবি, সাভারে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানিসহ সেবাগুলো এখনো নিশ্চিত না হওয়ায় প্রায় ৩০ শতাংশ রপ্তানি আদেশ কমে গেছে।
উচ্চ আদালতের নির্দেশে রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারের হরিণধরায় স্থানান্তরিত হয়েছে চামড়া শিল্প নগরী। সেখানে ১’শ ৫৪টি ট্যানারি কারখানাকে প্লট বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে যেসব ট্যানারি মালিক এখনো প্লট পাননি তারা হাজারীবাগে চামড়া লবণজাত করছেন। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াজাত করার জন্য অবশ্য তাদেরও যেতে হবে সাভারে।
ঈদের আগে সবসময় রপ্তানির আদেশ পেলেও এবার কম পাওয়া গেছে বলে দাবি ট্যানারি মালিকদের।
এবার কোরবানির ঈদে ঢাকায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৫, খাসির চামড়া সারাদেশে ২০ থেকে ২২ এবং বকরির চামড়ার দাম ঠিক করা ছিলো প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা।
মৌসুমী ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, ট্যানারি মালিকরা তাদের ন্যায্যমূল্য দিচ্ছেন না।
বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন জানিয়েছে, সাভারে প্রায় ২০টি ট্যানারি কারখানার কার্যক্রম পুরোপুরি চালু হয়েছে।








