আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছবি বিকৃত করার দায়ে গ্রেপ্তার মানবাধিকারকর্মী রুমি আক্তার মুক্তি পেয়েছেন স্বয়ং ওবায়দুল কাদেরর হস্তক্ষেপে। কেন নিজ থেকে রুমির মুক্তিতে উদ্যোগী হলেন, জানতে চাইলে চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন: ডিজিটাল আইন করা হয়েছে দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালনের জন্য। কোন নিরপরাধ লোক এ আইনে শাস্তি পাবে না।
তিনি বলেন: রুমির বিষয়টি নজরে আসার পর আমি দেখতে পেলাম, মেয়েটি আমার ছবি বিকৃত করেনি। অন্যকারও ফেসবুক থেকে শেয়ার করেছে মাত্র। এটি জানার পর আমি শেরপুর পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলি। মেয়েটির মুক্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করি। পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পর এখন সে মুক্তি পেয়েছে।
রুমি আক্তার বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ঝিনাইগাতী শাখার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক।
জানা গেছে: ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মজিবর রহমান সোমবার রাতে রুমির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, রুমি আক্তার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছবি বিকৃত করে তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেন। এতে মন্ত্রীর সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং বাদীসহ অন্যরা মর্মাহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মুমিনুন্নিছা খানম পুলিশের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জামিনের আদেশ দেন। এর আগে ঝিনাইগাতী থানা পুলিশ আদালতে রুমির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় এবং রুমি জামিন পায়।







